Sona Pappu Case

ধৃত পুলিশকর্তা শান্তনুর ঘনিষ্ঠ একাধিক অফিসার ইডি-র নজরে! তলব করা হল সোনা পাপ্পুর বাড়ির লোকেদেরও

দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এমন বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করে ইডি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১২:৪১
ED has summoned several police officers close to former police officer Shantanu Sinha Biswas, as well as members of Sona Pappu\\\\\\\'s family

কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাস। — ফাইল চিত্র।

ইডির নজরে এ বার কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠেরা। সূত্রের খবর, শান্তনু-ঘনিষ্ঠ তিন জন পুলিশ অফিসারকে তলব করেছে ইডি। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ কলকাতায় কর্মরত এক সাব-ইনস্পেক্টর। শুধু তা-ই নয়, কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর পরিবারের সদস্যদের তলব করেছে ইডি। পাপ্পুর স্ত্রী সোমা-সহ পরিবারের কয়েক জনকে চলতি সপ্তাহে ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে জমি দখল, তোলাবাজি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অস্ত্র আইনেও মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই সব অভিযোগের সূত্র ধরেই তদন্ত শুরু করে ইডি। সেই মামলার সূত্র ধরে উঠে আসে বেহালার ব্যবসায়ী জয় কামদারের নাম। ইডি তাঁকে গ্রেফতার করে। এই মামলার সূত্রেই শান্তনুর ফার্ন রোডে বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

তল্লাশির পরের দিনই, সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলায় শান্তনু এবং তাঁর দুই পুত্র সায়ন্তন এবং মণীশকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। সেই দিন তাঁদের কাউকে ইডির দফতরে যেতে দেখা যায়নি। এপ্রিলে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে বালি পাচার মামলার তদন্তেও তলব করেছিল ইডি। তবে তিনি যাননি। তাঁর নামে জারি হয়েছিল লুক আউট সার্কুলারও। কয়েক বার হাজিরা এড়ানোর পর ইডি দফতরে যান শান্তনু। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। যদিও অধরা ছিলেন পাপ্পু। গত মাসে আচমকাই সিজিও কমপ্লেক্সে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিন জনই জেল হেফাজতে রয়েছেন।

সেই সোনা পাপ্পুর মামলায় এ বার তাঁর স্ত্রী এবং পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি। কসবার ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় একটি সেভেন এমএম পিস্তল পায় পুলিশ। পরে এই মামলায় ইডি জানিয়েছিল, গত জানুয়ারি মাসে ওই পিস্তলটি পাপ্পু কিনেছিলেন তাঁর স্ত্রীর নামে। আগ্নেয়াস্ত্রটি বিক্রি করেছিল জয়ের সংস্থা। ইডি এ-ও দাবি করেছিল, সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা একটি সংস্থার সঙ্গে বেহালার ব্যবসায়ীর অর্থ বিনিময় হয়েছে। দেড় কোটি লেনদেন হয়েছে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে। যদিও জয়ের দাবি, তিনি সোনা পাপ্পু এবং তাঁর স্ত্রীর সংস্থার থেকে ব্যবসার কাজে ঋণ নিয়েছিলেন। ওই আগ্নেয়াস্ত্রটি সম্পর্কে সোনা পাপ্পুর স্ত্রী দাবি করেছিলেন, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না।

Advertisement
আরও পড়ুন