Special Intensive Revision

নবান্নকে তৃতীয় চিঠি কমিশনের! ইআরও, এইআরও, বিএলও, সুপারভাইজ়ারদের পারিশ্রমিক অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ

কমিশন সূত্রের খবর, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ করছেন প্রায় ৯৪ হাজার বিএলও। ১৫ হাজার বিএলও সুপারভাইজ়ার, ইআরও রয়েছেন ২৯৪ জন এবং এইআরও-র সংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ জন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:২৫

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজে যুক্ত ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও), অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও), বুথ স্তরের অফিসার (বিএলও) এবং বিএলও সুপারভাইজ়ারদের পারিশ্রমিক নবান্নকে অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার ফের নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার এই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠায় তারা। এর আগেও গত বছর ডিসেম্বরে টাকা চেয়ে নবান্নকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। তবে কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ।

Advertisement

এই নিয়ে তৃতীয় বার নবান্নকে চিঠি পাঠাল কমিশন। চিঠিতে বলা আছে, গত বছর জুলাই মাসে বিএলও এবং বিএলও সুপারভাইজ়াররা কত পারিশ্রমিক পাবেন, সে বিষয়টি রাজ্যকে জানানো হয়েছিল। গত অগস্ট মাসে ইআরও এবং এইআরও-দের পারিশ্রমিকের বিষয়টিও তাদের জানায় কমিশন। এর পর গত ৪ ডিসেম্বর ফের রাজ্যকে এই সংক্রান্ত চিঠিও পাঠায় তারা। তবে কোনও উত্তর মেলেনি বলে দাবি কমিশনের।

কমিশন সূত্রের খবর, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ করছেন প্রায় ৯৪ হাজার বিএলও। ১৫ হাজার বিএলও সুপারভাইজ়ার, ইআরও রয়েছেন ২৯৪ জন এবং এইআরও-র সংখ্যা ৩ হাজার ৫০০ জন।

কমিশনের তরফে জানা গিয়েছে, গত বছর বিএলও-দের জন্য বরাদ্দের ৬১ কোটি টাকা ছেড়েছিল রাজ্য। এসআইআরের কাজে ওই টাকা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছিল তারা। আপাতত ওই টাকা ৯৫ হাজার বিএলও-র মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। বাকি টাকা পরে দেওয়া হবে। এমনই নির্দেশ ছিল।

কমিশন এর আগে জানিয়েছিল, বিএলওদের পারিশ্রমিক বাবদ রাজ্যের কাছ থেকে ৭০ কোটি টাকা পায় তারা। রাজ্যের অর্থ দফতর সেই টাকা আটকে রাখায় বিএলও-দের পারিশ্রমিক দেওয়ায় সমস্যা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এ বার বিএলওদের পারিশ্রমিক প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে এ বার ১২ হাজার টাকা হয়েছে। বিশেষ ভাতা-সহ তাঁরা মোট ১৪ হাজার টাকা পাবেন। বিএলও সুপারভাইজ়ারদের পাওয়ার কথা ১৮ হাজার টাকা। প্রায় ৮১ হাজার বিএলও কাজ করছেন। অভিযোগ, কমিশন বরাদ্দ অনুমোদনের পরেও তাঁদের টাকা দেওয়া যায়নি।

Advertisement
আরও পড়ুন