SIR in West Bengal

বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই আপলোড না-হওয়া নথি দিতে হবে বিচারকদের, অ্যাডমিট কার্ড নিয়েও ব্যাখ্যা দিল সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলা জরুরি ভিত্তিতে মঙ্গলবার শুনেছিল সুপ্রিম কোর্ট। নতুন করে কিছু নির্দেশের ব্যাখ্যা দেওয়া হল। মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে যে বিভ্রান্তি রয়েছে, তারও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫৯
আপলোড না-হওয়া নথি বিচারকদের কাছে জমা দিতে বলল সুপ্রিম কোর্ট।

আপলোড না-হওয়া নথি বিচারকদের কাছে জমা দিতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যে সমস্ত নথি পাওয়া গিয়েছে কিন্তু এখনও নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে আপলোড করা হয়নি, সেগুলি বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই এসআইআরের কাজে নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে তুলে দিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ইআরও এবং এইআরও-দের এমনটাই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার মধ্যে ওই সমস্ত নথি জমা দিতে বলা হয়েছে। নথিগুলির ভিত্তিতে তথ্যগত অসঙ্গতি যাচাই করে দেখবেন কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত বিচারকেরা।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলা জরুরি ভিত্তিতে মঙ্গলবার শুনেছিল সুপ্রিম কোর্ট। যে সমস্ত নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তার কিছু অংশ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। বুধবার তার ব্যাখ্যা দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে শীর্ষ আদালত। বলা হয়েছে, ভোটারের জন্মের তারিখ বা বাবা-মায়ের পরিচয় যাচাইয়ের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্রের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা যেতে পারে। তবে শুধু অ্যাডমিট কার্ড গ্রহণ করা হবে না।

এসআইআরের কাজে কমিশন এবং রাজ্য সরকারের সংঘাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। বলা হয়েছিল, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তথ্যগত অসঙ্গতির নিষ্পত্তির জন্য বিচারকদের নিয়োগ করবেন। ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ যতটা সম্পন্ন হবে, তার ভিত্তিতেই ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। তার পর ধাপে ধাপে বাকি তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল গত শনিবার রাজ্য ও কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। এখনও পর্যন্ত ৫৩২ জন বিচারককে এসআইআরের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে।

কমিশন সূত্রে খবর, পুরো প্রক্রিয়াটি সময়ে শেষ করার জন্য প্রায় দু’হাজার বিচারক প্রয়োজন। তার মধ্যে ৫৩২ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে। আরও বিচারক নিয়োগ করা হচ্ছে। এই কাজের জন্য আদালতের স্বাভাবিক কাজ বিঘ্নিত হতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট তাই জানিয়েছিল, আপাতত কিছু কিছু মামলা হাই কোর্ট অন্যত্র স্থানান্তরিত করতে পারে। তবে বেশি দিন এই কাজে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের বহাল রাখা যাবে না।

মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত জানায়, অন্তত তিন বছরের অভিজ্ঞ সিভিল জজ পদমর্যাদার আধিকারিক হলেই এসআইআরের কাজে নিয়োগ করা যাবে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদেরও এই দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রয়োজনে বিচারকদের নেওয়া হবে। হাই কোর্টই সেই সিদ্ধান্ত নেবে। নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া হবে কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী।

Advertisement
আরও পড়ুন