Industrial Growth

‘বৃদ্ধাশ্রম’ রাজ্যে দক্ষতার আকাল ঠেকাতে পরামর্শ

ব্যবসায়ী, উদ্যোগব্রতীদের আশ্বাস দিয়ে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ও বলেছেন, ‘‘কেউ অন্যায় ভাবে টাকা চাইলে আমায় বা মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করবেন। তোলাবাজি শিল্প চলবে না।’’

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ ০৭:০৬
স্বপন দাশগুপ্ত।

স্বপন দাশগুপ্ত। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যে শিল্পবন্ধু সরকার আসার সুবিধাটা এ বার ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, উদ্যোগব্রতীদেরই নিতে হবে বলে সওয়াল করলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যের বাঙালি উদ্যোগব্রতীদের মঞ্চ বঙ্গীয় বাণিজ্য পর্ষদের সভার জন্য মঙ্গলবার তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেনেট হলকে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে খুশি অর্থমন্ত্রী। শিক্ষা এবং শিল্পের মধ্যে সমন্বয় সময়ের দাবি বলে তুলে ধরেন তিনি।

ব্যবসায়ী, উদ্যোগব্রতীদের আশ্বাস দিয়ে বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ও বলেছেন, ‘‘কেউ অন্যায় ভাবে টাকা চাইলে আমায় বা মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করবেন। তোলাবাজি শিল্প চলবে না।’’ পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পের চাকাটা ঘোরাতে বাড়তি পরিশ্রম বা চেষ্টার পথে কী কী করা উচিত স্বপন তাতে জোর দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘রাজ্যে এখন একটি অভূতপূর্ব সমস্যার পরিস্থিতি। দক্ষতার আকাল। এটা নিয়ে ভাবতে হবে। অনেকে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন। রাজ্যের প্রায় বৃদ্ধাশ্রমের দশা। এটা আগে ছিল না।’’

পর্ষদের তরফে সভাপতি চন্দ্রশেখর ঘোষের আর্জি, রাজ্যে আরও ১০০০ জন উদ্যোগব্রতী তৈরি করার তহবিল গড়তে সরকারি সাহায্য চাই। সরকার ৫০ কোটি দিলে আরও ৫০ কোটি জোগাড় করে তহবিল গড়া যায়। এই নিয়ে সরাসরি আশ্বাস না-দিলেও অর্থমন্ত্রী বলেন, শিল্পবন্ধু পরিবেশ ঘটাতে সরকার যা করার করবে। জটিলতাহীন ‘সিঙ্গল উইন্ডো’ রীতি ইত্যাদির আশ্বাস দেন তিনি। বলেন, ‘‘অনেকেই ভাবেন, রাজ্যে শিল্পের প্রসার ঘটলেও তার লাভের ভাগটা পশ্চিম ভারতের ব্যবসায়ীদের কাছে যাবে। আপনাদের (স্থানীয় ব্যবসায়ী) পরিস্থিতির সুযোগ নিতে হবে। খুচরো বাজারের অনেকটাই ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা যায়।’’ স্বপন পরে বলেন, পরিবহণ ব্যবস্থা বা মেট্রোর সময়সীমা দীর্ঘায়িত করার জন্য দরকারে তিনি তৎপর হবেন।

শিল্প-শিক্ষার গাঁটছড়ার প্রশ্নে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষেরও আর্জি, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, উদ্যোগব্রতীরা পড়ুয়াদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দিন। গড়েপিটে নিন। পরে তাঁদের চাকরিরদরজা খুলুক।’’

আরও পড়ুন