Murder Case

‘সন্দেহের’ বশে স্ত্রী ও জ‍্যেষ্ঠ পুত্রকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে ‘খুন’! আত্মহত্যা করলেন স্বামীও, হাসপাতালে ভর্তি ছোট ছেলে

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বছর চল্লিশের প্রদীপ মুখোপাধ্যায় স্ত্রী, দুই ছেলে এবং তাঁর মাকে নিয়ে থাকতেন। স্ত্রীর প্রতি সন্দেহের জেরে নানা কারণে তাঁদের মধ্যে সাংসারিক বিবাদ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই স্ত্রী ও ছেলেদের সঙ্গে প্রদীপের বিবাদ শুরু হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ০০:২৯

—প্রতীকী চিত্র।

শুধুমাত্র সন্দেহের বশে স্ত্রী ও বড় ছেলেকে কাটারি দিয়ে কুপিয়ে খুন করলেন স্বামী। পরে বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন নিজে। গুরুতর আহত হয় ছোট ছেলেও। এই ঘটনাটি বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাওড়ার উলুবেড়িয়া থানা এলাকায় বাণীতলায় ঘটেছে। এলাকায় জানাজানি হতেই খবর দেওয়া হয় পুলিশে। তারা মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজে পাঠায়। ছোট ছেলে ও স্বামীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। হাসপাতাল সূত্রে খবর, চিকিৎসাচলাকালীন শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। গোটা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে বছর চল্লিশের প্রদীপ মুখোপাধ্যায় স্ত্রী, দুই ছেলে এবং তাঁর মাকে নিয়ে থাকতেন। স্ত্রীর প্রতি সন্দেহের জেরে নানা কারণে তাঁদের মধ্যে সাংসারিক বিবাদ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই স্ত্রী ও ছেলেদের সঙ্গে প্রদীপের বিবাদ শুরু হয়। রাতে তাঁর স্ত্রী অপর্ণা মুখোপাধ্যায় (৩৮), বড় ছেলে প্রণব (১৮) ও ছোট ছেলে আবিরকে নিয়ে নিজের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সুযোগেই প্রদীপ চালার টালি খুলে ঘরের মধ্যে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী ও বড় ছেলেকে কাটারি দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করে। ছোট ছেলে আবির সেই সময় বাবাকে বাধা দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে ছুটে পালাতে গেলে তাকেও কাটারি ছুঁড়ে মারেন প্রদীপ। কাটারির আঘাতে গুরুতর আহত হয় আবির। ঘটনার পরই বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন প্রদীপ। পুলিশ প্রদীপ ও আবিরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাচলাকালীন শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রদীপের মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। স্ত্রী ও বড় ছেলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন