—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
একই ভবনে দীর্ঘদিন ধরে প্রাথমিক এবং উচ্চ বিভাগ চলে চুঁচুড়ার ঘুটিয়াবাজার বিনোদিনী বালিকা বিদ্যালয়ে। কিন্তু একটি শ্রেণিকক্ষের চাবি না মেলায় বাইরে, চাতালের নীচে বসেই পড়াশোনা করতে হল প্রথম শ্রেণির জনাপঞ্চাশ ছাত্রীকে। বিষয়টি নিয়ে এ দিন ক্ষোভ উগরে দেন অভিভাবকেরা।
অভিভাবকদের দাবি, প্রাথমিক ও উচ্চ বিভাগের প্রধান শিক্ষ ও প্রধান শিক্ষিকার মধ্যে অশান্তির জেরে খুদে পড়ুয়াদের ভুগতে হচ্ছে। এ দিন এলাকার বিধায়ক সুবীর নাগ ওই স্কুলে যান। সেখানে পৌঁছে দু'পক্ষের মধ্যে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।
সুবীর এ দিন বলেন, ‘‘প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক প্রতাপ মণ্ডল এবং উচ্চ বিভাগের প্রধান শিক্ষিকা মৌমিতা পালের মধ্যে একটা ঠান্ডা লড়াই রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এমনটা কাম্য নয়। দু’পক্ষকে নিয়ে অবিলম্বে আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে দেব।’’
প্রতাপের অভিযোগ, অনৈতিক ভাবে মৌমিতা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তাঁকে মেটাতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘বিল না মেটানোয় প্রধান শিক্ষিকা ওই ক্লাসরুমের চাবি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন।’’
এ কথা উড়িয়ে দিয়ে মৌমিতার পাল্টা দাবি, ‘‘ওই ঘরটি টিচার্স-রুমের জন্য দেওয়া হয়েছিল। পরে ক্লাসরুম করা হয়েছে, তা-ও ঠিক। কিন্তু ওই ঘর থেকে প্রধান শিক্ষক নিজের ব্যবসার জন্য বই বিক্রি করতেন। ওই অনৈতিক কাজ রুখতেই এ দিন চাবি
দেওয়া হয়নি।’’