প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
রাজ্যে পালাবদলের পরে এ বার বিজেপির লক্ষ্য পঞ্চায়েত এবং পুর ভোট। কে বা কারা প্রার্থী হবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন ঘুরছে বিজেপি নেতৃত্বের মাথায়। সেটি হল কাদের হাতে দেওয়া হবে ভোট পরিচালনার দায়িত্ব। সে কারণে বিজয় উৎসব ছেড়ে আপাতত সংগঠনে মন দিয়েছে বিজেপি। জেলায়-জেলায় বিপুল ভোটে জিতলেও অসংখ্য বুথে দলের সংগঠন যে নড়বড়ে তা স্বীকার করে নিয়েছেন নেতারা। সেই সংগঠন নিয়ে পঞ্চায়েত এবং পুরসভা ভোটে গেলে তা সহজ হবে না বলেই দাবি। সে কারণেই আপাতত বুথ স্তর থেকে বৈঠক শুরু করেছে বিজেপি। আগামী ১৯ জুন বৈঠক করতে আসছেন বিজেপির রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সুনীল বনসল। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাকে নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। জলপাইগুড়িতে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে আসার কথা রয়েছে
সুনীল বনসলের।
সরকারি এবং সাংগঠনিক দু’ভাবেই বেশি মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইছে বিজেপি। জনকল্যাণ শিবিরের সঙ্গেই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর ছোট-ছোট কর্মশালা শুরু করেছে। যেমন কৃষি দফতর প্রাকৃতিক কৃষি বিষয়ে জেলা এবং ব্লক স্তরে কর্মশালা করছে। তাতে গ্রামের কৃষকদের শামিল করছে বিজেপি। সে রকমই বিপর্যয় মোকাবিলা-সহ সরকারি নানা সচেতনতামূলক শিবিরে দলবেঁধে লোক নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। অন্য দিকে, গোছানো হচ্ছে সংগঠনও। প্রতি বুথে সভা শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলায়-জেলায় কোর কমিটি গঠন হয়েছে। কোর কমিটির সভাও হয়েছে। এ বার বুথ থেকে মণ্ডলস্তর পর্যন্ত সভা হচ্ছে। সেই সভায় দেওয়া হচ্ছে বিজেপির রীতিনীতি-সহ নানা দলীয় প্রশিক্ষণ।
বিজেপির এক নেতার কথায়, ‘‘পঞ্চায়েত বা পুরসভা ভোটে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তত্ত্বাবধান থাকবে না। রাজ্য নেতৃত্বও প্রতি ওয়ার্ডে নজর দিতে পারবে না। জেলাকেই কৌশল ঠিক করতে হবে, তাই সংগঠন
গোছানো হচ্ছে।’’
আগামী ১৯ জুন শিলিগুড়িতে বিজেপির মূল সাংগঠনিক বৈঠক রয়েছে। বৈঠকের আগে বা পরে জলপাইগুড়ি আসতে পারেন সুনীল বনসল। তাঁর জেলা কর্মসূচি নিয়ে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী বলেন, ‘‘জলপাইগুড়ির পার্টি অফিস উদ্বোধন করার কথা রয়েছে আগামী শুক্রবার।’’