—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
দিন কয়েক আগে বাগনানের পাইকপাড়ি গ্রামে নিহত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র বাড়িতে গিয়ে তাঁর মেয়েকে চুক্তিভিত্তিক সরকারি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবারেই প্রশান্তের বড় মেয়ে রিম্পা বাগনান ২ ব্লক অফিসে কাজে যোগ দিলেন।
রিম্পা স্নাতক। চাকরিতে যোগ দিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘বাবার কথা খুব মনে পড়ছে। তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে। বাবার অভাব পূরণ হবে না। তবুও এই চাকরির ফলে আমাদের পরিবারের অনেকটাই সুরাহা হবে। মন দিয়ে কাজ করব। ব্লক প্রশাসনের সকলে খুবই আন্তরিক ব্যবহার করেছেন।’’
ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, রিম্পা কোন বিভাগে কাজ করবেন, তা এ দিন ঠিক হয়নি। আলোচনা চলছে। শীঘ্রই তাঁর বিভাগ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। প্রশান্ত রাখি তৈরির কাজ করতেন। মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের বাড়িতে গেলে প্রশান্তের স্ত্রী সোমা দোষীদের শাস্তির দাবি ছাড়াও বড় মেয়েকে চাকরি দেওয়ার জন্য আবেদন করেন।
গত ১৭ জুন রাতে বাঁটুল গ্রামের প্রশান্ত-সহ কয়েক জন বিজেপি কর্মী আন্টিলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান, তৃণমূলের মফিজুল ইসলাম খানের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে যান। বিজেপির অভিযোগ, সে সময় প্রশান্তদের উপরে হামলা চালায় মফিজুল ও তাঁর শাগরেদরা। হামলায় মারা যান প্রশান্ত। বিজেপি অবশ্য মফিজুলের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে যাওয়ার কথা মানেনি।