—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরছিলেন টোটো ধরে। সেই তিন চাকার যানের মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটে হাওড়ার ডুমুরজলায়। শেষমেশ চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলেন যুবক। মঙ্গলবার আদালত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাত ৮টা নাগাদ মন্দিরতলা থেকে টোটোয় চেপে বাড়ি ফিরছিলেন বেসরকারি হাসপাতালের এক মহিলাকর্মী। সেই সময় টোটোয় তিনি ছাড়াও এক মহিলা এবং এক পুরুষ যাত্রী ছিলেন। তা ছাড়াও উল্টোদিকের আসনে বসে ছিলেন এক যুবক। দুই যাত্রী টোটো থেকে নেমে যাওয়ার পর বছর ত্রিশের সেই যুবক হাসপাতালের কর্মীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন বলে অভিযোগ। মহিলা প্রতিবাদ করে অভিযুক্তকে চড় মারেন। তখন তাঁকেও পাল্টা মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।
মহিলার চিৎকার-চেঁচামেচিতে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে যান। তখন অভিযুক্ত যুবক পালাতে গিয়ে নর্দমায় পড়ে যান। সেখানেই তাঁকে মারধর করা হয়। ওই সময় কেউ ভিডিয়ো করেছিলেন। সেটি সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এর মধ্যে চ্যাটার্জিহাট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা গণপিটুনির হাত থেকে রক্ষা করে অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যায়। পরে মহিলার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা দায়ের হয়।
অভিযোগকারিণী জানান, অভিযুক্ত এবং তিনি একই পাড়ার বাসিন্দা। তার পরেও তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। কয়েক জন তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। মঙ্গলবার ধৃতকে হাওড়া আদালতে হাজির করানো হলে তিনি জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক আর্জি খারিজ করে ছ’দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।