Brother of Rahim Nabi Arrested

৫ বছর আগে বিজেপি নেতার ‘কানের পর্দা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন’! গ্রেফতার প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবির ভাই-সহ ২

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালে এক বিজেপি নেতাকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় ফিরোজ় নবি এবং আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতা-কর্মীর। অভিযোগ, বিজেপি নেতাকে মারধরের পাশাপাশি তাঁর জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬ ১৯:০০
Brother of Rahim Nabi Arrested

পুলিশের হাতে পাকড়াও প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবির ভাই ফিরোজ় নবি (ডান দিকে প্রিন্টেড শার্ট) এবং তৃণমূল নেতা শেখ শফিক। —নিজস্ব চিত্র।

বিজেপির এক নেতার উপর ‘প্রাণঘাতী হামলা’র অভিযোগে গ্রেফতার প্রাক্তন ফুটবলার রহিম নবির ভাই ফিরোজ় নবি। ফিরোজ় তৃণমূলের নেতা, তাঁর সঙ্গে আরও এক তৃণমূল নেতা, শেখ শফিককেও গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার পুলিশ তাঁদের আদালতে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১ সালে এক বিজেপি নেতাকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় ফিরোজ়দের। পুলিশ সূত্রে খবর, সেই বছরের ২৩ জুন সন্ধ্যায় পান্ডুয়া জিটি রোড সংলগ্ন একটি দোকানে বসে চা খাচ্ছিলেন বিজেপি নেতা শেখ আব্বাস আলি। অভিযোগ, তাঁর উপর অতর্কিত আক্রমণ হয়। হামলা চালান প্রাক্তন ফুটবলার রহিমের ভাই, তৎকালীন পান্ডুয়া ব্লক তৃণমূলের নেতা ফিরোজ়, শফিক এবং তাঁদের দলবল। আব্বাসের অভিযোগ, তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। মারের চোটে তাঁর বাঁ কানের পর্দা ফেটে যায়। তিনি শ্রবণশক্তি হারান। তা ছাড়াও কিছু অঙ্গে ক্ষতি হয়। শুধু তা-ই নয়, তাঁর মোবাইল, হাতঘড়ি, টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়া বলে অভিযোগ।

রাজ্যে সরকার বদলের পর গত ২৩ মে আব্বাস আবার পুলিশের দ্বারস্থ হন। পান্ডুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। তাতে নাম ছিল প্রাক্তন ফুটবলারের সহোদর এবং অন্যদের। তার তদন্তে নেমে শনিবার রাতে পান্ডুয়ার জয়পুর রেলগেট সংলগ্ন এলাকা থেকে অভিযুক্ত ফিরোজ় এবং শেখ শফিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের সাত দিনের হেফাজত চেয়ে চুঁচুড়া আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

রবিবার ধৃত ফিরোজ় এবং শফিককে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর জন্য। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। তাঁরা দু’জনকে ‘চোর-চোর’ বলে স্লোগান দিতে দিতে পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পান্ডুয়া থানার ওসি নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশবাহিনী পদক্ষেপ করে।

Advertisement
আরও পড়ুন