কর্নাটক থেকে ধৃত তৃণমূল নেতা। — নিজস্ব চিত্র।
ওড়িশা হয়ে কর্নাটকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না। সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয় তারকেশ্বরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রামেন্দু সিংহ রায়কে। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
১১ জুন ধনিয়াখালির কোটালপুর এলাকায় বিএড কলেজ থেকে উদ্ধার হয় ত্রিপল, বালতি, ত্রাণসামগ্রী। ধনিয়াখালি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তাতে নাম ছিল রামেন্দুর। সেই অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে পলাতক ছিলেন রামেন্দু। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওড়িশা হয়ে কর্নাটকে পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
কর্নাটকের থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে রামেন্দুকে হুগলিতে আনছে হুগলি গ্রামীণ পুলিশের তদন্তকারী দল। তিনি তারকেশ্বরের বিধায়ক ছিলেন। সেই সঙ্গে আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। এর আগে আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা আরামবাগ পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন নন্দীকে কেরল থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযোগ, পরিচয় গোপন করতে গোঁফ কামিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। তবু শেষরক্ষা হয়নি। ধরা পড়ে যান স্বপন।