— প্রতীকী চিত্র।
হাওড়ার একটি স্কুলে ইন্টারভিউ দিলে চাকরি মিলবে, এই টোপ দিয়ে এক তরুণীকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার নাম করে গাড়িতে তুলে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল দুই যুবকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ভিডিয়ো তুলে তা সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে নির্যাতিতাকে ‘যৌন পেশায়’ নামানো হয় বলেও অভিযোগ। এপ্রিল মাসে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তরুণী। সেই ঘটনায় রবিবার এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে ময়দান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম তারক গুড়িয়া। এ দিন কলকাতার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত তাকে ৩১ মে পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ধর্ষণে ব্যবহৃত গাড়িটিও।
পুলিশকে ২৬ বছরের তরুণী জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারি মাসে চাকরির ইন্টারভিউয়ে নিয়ে যাওয়ার নাম করে দুই অভিযুক্ত তাঁকে গাড়িতে তোলে। সেখানে পানীয় খাইয়ে অচৈতন্য করে তাঁকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্তেরা তরুণীর দূর সম্পর্কের আত্মীয়। নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, ঘটনার ভিডিয়ো তুলে সেটি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেল করে তাঁকে টাটানগরে যেতে বাধ্য করা হয়। সেখানেও তিন জন তাঁকে ধর্ষণ করে। এপ্রিল মাসে ডাকযোগে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান তরুণী। তার প্রায় এক মাস পরে তারককে গ্রেফতার করল পুলিশ।
মামলার সরকারি আইনজীবী রাধানাথ রং এ দিন তারককে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, ‘‘এই মামলায় আরও অভিযুক্ত জড়িত। তাদের ধরতে হবে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করাও প্রয়োজন।’’ তাঁর আর্জি মঞ্জুর করে আদালত। ধৃতের মেডিকো-লিগ্যাল পরীক্ষার আর্জিও বিচারক মঞ্জুর করেছেন বলে জানিয়েছেন রাধানাথ।