আবাসনে মারধরের দৃশ্য। —নিজস্ব ছবি।
আবাসনে ঢুকে মারধর, ভাঙচুরের অভিযোগ একদল বহিরাগতের বিরুদ্ধে। বাসিন্দাদের দাবি, ‘ওরা প্রোমোটারের লোক।’ পাল্টা প্রোমোটারের ঘনিষ্ঠেরা জানিয়েছেন, প্রথমে গায়ে হাত তুলেছেন আবাসনের বাসিন্দারাই। মারধর, চিৎকার-চেঁচামেচিতে শোরগোল হাওড়ার আন্দুল রোড এলাকায়। তদন্তে পুলিশ।
বছর দুই আগে হাওড়ার আন্দুল রোডের চুনাভাটি এলাকায় একটি বিশাল আবাসন তৈরি হয়। আবাসনের বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, দু’টি ‘ব্লকে’ অন্তত ৬০টি ফ্ল্যাট রয়েছে। কিন্তু আবাসনের রক্ষণাবেক্ষণ এবং আরও কিছু বিষয় নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চাপানউতর চলছিল। বাসিন্দা বনাম প্রোমোটারের দ্বন্দ্ব মিটিয়ে সমাধানের জন্য বার কয়েক বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু আলোচনাতেও সমাধান মেলেনি। তার পরেই রবিবারের ওই অশান্তি।
প্রদীপ আচার্য্য নামে ওই আবাসনের এক বাসিন্দার অভিযোগ, ‘‘প্রোমোটার দলবল নিয়ে এসে আমাদের মারধর করেছে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। কয়েকজন গুরুতর জখম। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে।’’
এ নিয়ে মহম্মদ সাকিব নামে অভিযুক্ত প্রোমোটারের বক্তব্য মেলেনি। তবে তাঁর এক আত্মীয় ওয়াসিম আক্রম জানান, রবিবারও মিটিং চলছিল। সেই সময় ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা তাঁদের উপর চড়াও হন। মারধর করেন। প্রোমোটারকে মারধর করা হয়েছে। তাঁদের একজন গুরুতর জখম হয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, দুই পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছেন। তদন্ত চলছে। তবে এখনও পর্যন্ত আটক বা গ্রেফতারির কোনও খবর মেলেনি।