TMC Leader Murder

রাস্তায় পড়ে তৃণমূল নেতার রক্তাক্ত দেহ, পাশে মুগুর, মাথায় আঘাত! বিজেপির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ হুগলিতে

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সহদেব বাগ। গোঘাটের নকুণ্ডার কোটা এলাকার বাসিন্দা তিনি। মৃতের স্ত্রী স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্যা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ১৬:০১
Tensions rise over recovery of TMC leader\\\\\\\\\\\\\\\'s body in Hooghly\\\\\\\\\\\\\\\'s Goghat

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

ভোট মিটেছে। মুখ্যমন্ত্রী-সহ পাঁচ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণও হয়েছে। তবে ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। রবিবার সকালে হুগলির গোঘাটে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়াল। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাই খুন করেছেন তৃণমূলের নেতাকে। মৃতের স্ত্রী স্থানীয় পঞ্চায়েতের সদস্যাও।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম সহদেব বাগ। গোঘাটের নকুণ্ডার কোটা এলাকার বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার সকালে কোটা এলাকাতে রাস্তার পাশে এক জনের রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান এক মহিলা। তিনি ফুল কিনতে বাজারে যাচ্ছিলেন। দেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকার চায়ের দোকানে বসা স্থানীয়দের খবর দেন। খবর পেয়ে কয়েক জন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি দেখেন। প্রথমে কেউ দেহটি শনাক্ত করতে পারেননি। কারণ উপুড় হয়ে পড়েছিল দেহ। পরে জানা যায় ওই দেহ সহদেবের। তাঁর দেহের পাশে একটি মুগুর পড়েও থাকতে দেখেন স্থানীয়েরা। মৃতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন।

পরিবারের দাবি, শনিবার বিকেলেই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন সহদেব। রাত বাড়লেও বাড়ি ফেরেননি তিনি। সকালে তাঁর স্ত্রী চায়না বাগ খোঁজখবর নেওয়ার সময় জানতে পারেন স্বামীর মৃত্যুর কথা। তাঁর অভিযোগ, ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই সহদেবকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। স্থানীয় বিজেপি কর্মীরাই এই খুনের নেপথ্যে রয়েছেন বলে দাবি মৃতের মেয়ের। তাঁর দাবি, ‘‘আমার বাবা তৃণমূল করত। ভোটের পর থেকেই বাবাকে হুমকি দিত। তৃণমূল হেরে গিয়েছে তাই খুন করেছে।’’ স্থানীয়েরাও এই খুনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কথা বলছেন।

যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, শীর্ষ নেতৃত্ব বারবার বলছেন কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। বিজেপি খুনের সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী নয়। পুলিশ ঘটনার যথাযথ তদন্ত করবে। ঘটনার খবর পেয়েছে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ। তারা দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন