Cyber Crimes

জোড়া সাইবার জালিয়াতিতে লোপাট ৩৬ লক্ষ, ধৃত তিন

জালিয়াতদের কথায় বিশ্বাস করে ওই প্রবীণ নাগরিক প্রথমে ১২ লক্ষ টাকা পাঠান। এর পরে আর একটি ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে তিনি বিনিয়োগ করেন ৩ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা। পরে ওই ব্যক্তি জানতে পারেন, তাঁকে যে সব তথ্য জানানো হয়েছিল, সবই ছিল ভুয়ো।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ মার্চ ২০২৬ ০৭:৪৭

—প্রতীকী চিত্র।

দু’টি পৃথক সাইবার প্রতারণার ঘটনার তদন্তে নেমে তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এক প্রবীণ নাগরিক বিমানবন্দর থানায় অভিযোগে জানান, তিনি সমাজমাধ্যমে ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম সংক্রান্ত একটি পোস্টে ক্লিক করার পরে একটি ওয়টস্যাপ গ্রুপে তাঁকে ঢোকানো হয়। এর পরে রেজিস্ট্রেশন করার কথা বলে তাঁকে একটি অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলে প্রতারকেরা। তারা এ-ও দাবি করে, ওই অ্যাপটি একটি নামী সংস্থার।

জালিয়াতদের কথায় বিশ্বাস করে ওই প্রবীণ নাগরিক প্রথমে ১২ লক্ষ টাকা পাঠান। এর পরে আর একটি ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মে তিনি বিনিয়োগ করেন ৩ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা। পরে ওই ব্যক্তি জানতে পারেন, তাঁকে যে সব তথ্য জানানো হয়েছিল, সবই ছিল ভুয়ো।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সম্প্রতি দক্ষিণ বেঙ্গালুরু থেকে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে বিধাননগর পুলিশ। তার নাম হরিহরা শুভ্রমঞ্জন এস।

এই ঘটনার কিছু দিন পরে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় আর এক প্রবীণ নাগরিক একটি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, সম্প্রতি বেঙ্গালুরু থেকে এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে। সে নিজেকে সাইবার ক্রাইম দফতরের আধিকারিক বলে পরিচয় দিয়েছিল। ওই ব্যক্তি অভিযোগকারীকে জানায়, তাঁর নামে একটি মোবাইল নম্বর নথিভুক্ত হয়েছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন বেআইনি কাজ করা হয়েছে। ওই প্রবীণ নাগরিক জানান, এর পরে তাঁর নামে একের পর এক অভিযোগ শোনায় জালিয়াতেরা। সুপ্রিম কোর্টের ভুয়ো নোটিসও দেখায়। শেষে ডিজিটাল গ্রেফতারির ভয় দেখিয়ে ২০ লক্ষ টাকা হস্তান্তর করতে বাধ্য করে তারা।

পুলিশ সূত্রের খবর, এই ঘটনায় রবিবার দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের নাম দীপক জানা এবং তপনকুমার রায়। তারা পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন