Left Protest in Jadavpur Station

যাদবপুর স্টেশনের বাইরে এখনই হকার উচ্ছেদ হচ্ছে না! দাবি সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্যের

হকার উচ্ছেদের আশঙ্কায় মঙ্গলবার‌ রাতে যাদবপুর স্টেশনে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন বাম নেতা ও কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল বুলডোজ়ার। যে কোনও সময়ে ভেঙে ফেলা হতে পারে দোকান। তা রুখতে রাত জাগবেন বলে জানিয়েছিলেন সৃজন ভট্টাচার্যেরা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ২৩:০৮
যাদবপুর স্টেশনে বামেদের মিছিল।

যাদবপুর স্টেশনে বামেদের মিছিল। — নিজস্ব চিত্র।

যাদবপুর স্টেশনে দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চাপান‌উতরের পরে বাম নেতৃত্ব দাবি করলেন মঙ্গলবার রাতে সেখানে হকার উচ্ছেদ অভিযান হবে না।

Advertisement

হকার উচ্ছেদের আশঙ্কায় মঙ্গলবার‌ রাতে যাদবপুর স্টেশনে প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন বাম নেতা ও কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, স্টেশনের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল বুলডোজ়ার। যে কোনও সময়ে ভেঙে ফেলা হতে পারে দোকান। তা রুখতে রাত জাগবেন বলে জানিয়েছিলেন সৃজন ভট্টাচার্যেরা।

বেশি রাতে সৃজনের দাবি, হকার উচ্ছেদ এখনই হচ্ছে না যাদবপুরে। তিনি বলেন, “কিছু অনুরোধ আছে সেইগুলি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তিন সপ্তাহ আমরা সময় পেয়েছি। যেই আইনি কাগজ নিয়ে লড়াই হয়েছে, সেই বিষয় আমাদের ওই সময়সীমার মধ্যে আধিকারিকদের জানাতে হবে। তাঁদের সঙ্গে আমাদেরকেও সহযোগিতা করতে হবে।”

পুলিশের সঙ্গে কথা বলছেন সৃজন ভট্টাচার্য।

পুলিশের সঙ্গে কথা বলছেন সৃজন ভট্টাচার্য। — নিজস্ব চিত্র।

বাম নেতা-কর্মীদের আশঙ্কা ছিল, রাতেই যাদবপুর স্টেশনে উচ্ছেদ অভিযান হতে পারে। এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে বেআইনি হকার ‘উচ্ছেদ’ শুরু করেছে রেল। কখনও আবার বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে বুলডোজ়ারও নামানো হয়। সূত্রের খবর, শিয়ালদহ, হাওড়া স্টেশন চত্বরে প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী ঝুপড়ি এবং ছোট দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। শুধু স্টেশন চত্বর নয়, হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বহুতলের বেআইনি নির্মাণ ভাঙতেও বুলডোজ়ার চালানো হয়। রাতারাতি এই উচ্ছেদ অভিযানে বিপাকে পড়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। কারও দাবি, সকালে এসে দেখেন তাঁর দোকান আর নেই। আবার কেউ কেউ জানান, উচ্ছেদের খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। প্রায় সকলের মুখে একটাই অভিযোগ ছিল, রেল আচমকা উচ্ছেদ অভিযান চালায়।

বেআইনি উচ্ছেদ নিয়ে অনেক দিন ধরেই তৎপর রেল। তবে অভিযোগ, আগের সরকারের অসহযোগিতার কারণে এত দিন এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় গতি আনা যাচ্ছিল না। উচ্ছেদ করতে গেলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর তা সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। তৃণমূল সরকার সে ব্যাপারে সহযোগিতা না-করায় বেআইনি দখল হটানো সম্ভব হয়নি।

অন্য দিকে, হাওড়া ময়দান সংলগ্ন এলাকার রাস্তা এবং ফুটপাতে আর পসরা নিয়ে বসতে পারবেন না মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের হাওড়া থানায় ডেকে জানিয়ে দেন হাওড়া সিটি পুলিশের কর্তারা। এ-ও জানান রাজ্য সরকারের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন