Posting Case Of Aniket Mahato

রায়গঞ্জ নয়, আরজি করেই কাজ করবেন জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত, রাজ্যের নির্দেশ খারিজ করে জানাল কলকাতা হাই কোর্ট

জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, পছন্দের জায়গায় যদি পোস্টিং না দেওয়া হয়, তবে কাউন্সেলিংয়ের মানে কী? অনিকেত মাহাতো তাঁর পোস্টিংয়ের বিরোধিতা করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:০১
Aniket Mahato

‘পোস্টিং’ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আরজি করের জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতো। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পছন্দের জায়গায় যদি ‘পোস্টিং’ না দেওয়া হয়, তবে কাউন্সেলিংয়ের মানে কী? এই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আরজি করের জুনিয়র ডাক্তার অনিকেত মাহাতো। বুধবার ওই মামলার রায় ঘোষণা করলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। অনিকেতকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজে পোস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত খারিজ করে দেন তিনি।

Advertisement

আরজি করে চিকিৎসকের ধর্ষণ এবং হত্যার পর ডাক্তারদের আন্দোলনের অন্যতম মুখ অনিকেতকে ‘পোস্টিং’ দেওয়া হয়েছে রায়গঞ্জে। তার আগে আন্দোলনের আরও দুই মুখ দেবাশিস হালদার এবং আসফাকুল্লা নাইয়াও আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। দেবাশিসকে মালদহের গাজোল, আসফাকুল্লাকে হুগলির আরামবাগে ‘পোস্টিং’ দেওয়া হয়। তা-ই নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

অনিকেতদের দাবি, কোথায় নিয়োগ চান, নিয়ম মেনে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় তা সিনিয়র রেসিডেন্টদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তাঁরা জানিয়েওছিলেন। কিন্তু তার পরেও শুধুমাত্র তাঁদের তিন জনই পছন্দের জায়গায় ‘পোস্টিং’ পাননি। জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, পছন্দের জায়গায় যদি ‘পোস্টিং’ না দেওয়া হয়, তবে কাউন্সেলিংয়ের মানে কী? জুনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ডব্লিউবিজেডিএফ-এর তরফে জানানো হয়েছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের ওই নির্দেশের বিরুদ্ধে তিন জনেই মামলা করবেন। এর পর প্রথমে গত মে মাসে দেবাশিস এবং আসফাকুল্লা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন। পরে মামলা করেন অনিকেতও। বুধবার এই মামলার রায়ে উচ্চ আদালত জানায়, অনিকেতকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজেই পোস্টিং করাতে হবে।

অন্য দিকে, সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়ে সন্তুষ্ট নয় রাজ্য। তারা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ওই রায় স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়েছিল। কিন্তু বিচারপতি বসু সেই আবেদন খারিজ করেন।

Advertisement
আরও পড়ুন