—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
কলকাতায় ভূমিকম্প! মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়েছে রাজ্য রাজধানীর বিস্তীর্ণ অংশে। পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল মায়ানমার। সেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। এ ছাড়াও বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়াতেও ভূমিকম্প হয়েছে বলে খবর।
উল্লেখ্য, সোমবার রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভূমিকম্প হয়েছে। ভারতের ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি) জানায়, কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। তবে হতাহত বা সম্পত্তির ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কম্পনেও কলকাতা বা পারিপার্শ্বিক এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর মেলেনি। মধ্য কলকাতার ই-মলে সেই মুহূর্তে কেনাকাটা করছিলেন ভদ্রেশ্বরের বাসিন্দা স্বপন ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ মনে হল, সব কিছু নড়ছে। তার পর অন্যেরাও বলাবলি করছিলেন। অনেকে মলের বাইরের দিকেও চলে যান।’’
গত বছরের জানুয়ারি এবং নভেম্বরেই কেঁপে উঠেছিল কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গ ও তার পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলি। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নেপালের গোকর্ণেশ্বরের কাছে লোবুচে থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.১। বিহারের মধুবনী জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছিল। কম্পন অনুভূত হয়েছিল বাংলাদেশ, চিন এবং ভুটানেও। তার পর ২১ নভেম্বর সকালে কেঁপে উঠেছিল কলকাতা শহরের মাটি। কম্পন অনুভূত হয় কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ, সর্বত্র। বাংলাদেশের নরসিংদী থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল।