এ বার তিনটি মর্টার শেল উদ্ধার হয়েছে। —নিজস্ব ছবি।
দামোদরের গর্ভ থেকে আবার পাওয়া গেল বিশালাকার মর্টার শেল। এ বার একটি নয়, একসঙ্গে তিনটি! তা-ই নিয়ে শোরগোল বাঁকুড়ার সোনামুখী থানা এলাকায়।
সোনামুখী থানার ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাঙামাটি ফেরিঘাট এলাকায় পে-লোডার দিয়ে বালি তোলা হচ্ছিল। সেই কাজের সময় একে একে ধাতব বিশালাকার শেলগুলি উঠে আসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াড। বিস্ফোরণের আশঙ্কায় বালির বস্তা দিয়ে শেলগুলিকে ঘিরে দেওয়া হয়। জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা শুরু হয়। প্রাথমিক ভাবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, শেলগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার।
দ্বারকেশ্বর এবং দামোদরের পার থেকে বালি উত্তোলনের সময় এর আগেও মর্টার শেল উদ্ধার হয়েছে। কোনও বার একটি পাওয়া গিয়েছে, কোনও বার মিলেছে দু’টি। এই প্রথম একই সঙ্গে তিনটি মর্টার শেল উদ্ধার হল বাঁকুড়ায়। কার্তিক জানা নামে ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘‘বালি তোলার সময় ওই ধাতব বস্তুগুলি বেরিয়ে এসেছে। এই এলাকার মানুষজন এমন বস্তু আগে কখনও দেখেননি। স্বাভাবিক ভাবে অনেকেই ভিড় করি এলাকায়।’’
পুলিশ মনে করছে, শেলগুলি শক্ত লোহার খোলের ভিতর বিস্ফোরক ঠাসা ছিল। তাই কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে শেলগুলিকে আপাতত নদীর চরে বালির বস্তা দিয়ে ঘিরে রেখে দেওয়া হয়েছে। নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘খবর পাওয়ার পরই বম্ব স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌঁছোছিল। আমাদের তরফে সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।’’