Arrest

সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে চুরি, গ্রেফতার পড়শি

আদালত সূত্রের খবর, মে মাসে সরশুনা থানা এলাকার দক্ষিণ বেহালা রোডের একটি আবাসনের তেতলার ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। তদন্তে নেমে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ওই ফ্ল্যাটের সব সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে অভিযুক্ত।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩৮

— প্রতীকী চিত্র।

বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে কয়েক লক্ষ টাকা চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল অভিযোগকারীর প্রতিবেশী এক যুবককে। সেই সঙ্গে, তার সঙ্গী এক মহিলাকেও গ্রেফতার করেছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। ধৃতদের নাম অনীক ভট্টাচার্য এবং সুস্মিতা হালদার। সরশুনা থানা এলাকার তালপুকুর রোডের একটি বাড়ি থেকে তাদের ধরা হয়। অভিযোগ, চুরির ঘটনার পরে সেখানেই থাকছিল অভিযুক্ত অনীক। মঙ্গলবার ধৃতদের আলিপুর আদালত ৫ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে
উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া কিছু সামগ্রী।

আদালত সূত্রের খবর, মে মাসে সরশুনা থানা এলাকার দক্ষিণ বেহালা রোডের একটি আবাসনের তেতলার ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা ঘটে। তদন্তে নেমে পুলিশ এবং গোয়েন্দারা জানতে পারেন, ওই ফ্ল্যাটের সব সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে
অভিযুক্ত। যা থেকে পুলিশ এক প্রকার নিশ্চিত হয়, এই চুরির পিছনে ওই পরিবারের পরিচিত কেউ জড়িত। না হলে সিসি ক্যামেরার সুইচ কোথায় রয়েছে, অভিযুক্তের পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়। এরই মধ্যে বাইরের একটি সিসি ক্যামেরা থেকে এক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা, যার গতিবিধি ছিল সন্দেহজনক।

সরশুনা থানার পুলিশ ওই সন্দেহভাজন এবং একই আবাসনের বাসিন্দা অনীককে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সেখানে অনীক কিছু না বললেও পুলিশের হাত থেকে ছাড়া পেয়েই সে তার মোবাইল বন্ধ করে অন্যত্র গা-ঢাকা দেয়। পরে বিভিন্ন সূত্র মারফত পুলিশ জানতে পারে, অনীক দার্জিলিঙে থাকছে। তার সঙ্গে রয়েছে এক মহিলা। একই সঙ্গে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ওই দু’জন শিলিগুড়ি এবং কলকাতায় দু’টি সোনার দোকানে চোরাই সোনার গয়না বিক্রি করতে চাইছে। সেই সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে, অনীক তার বাড়িতে না থেকে ওই মহিলাকে নিয়ে তালপুকুরে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকছে। এর পরেই সেখানে হানা দিয়ে দু’জনকে ধরা হয়। পুলিশের দাবি, গ্রেফতারের সময়ে কার্নিসে লুকিয়ে ছিল অনীক।

অন্য একটি ঘটনায়, চুরির অভিযোগ দায়ের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করল নাদিয়াল থানা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম মদিনা খাতুন। তার বাড়ি সাতঘরা এলাকায়। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং লক্ষাধিক নগদ টাকা। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার নাদিয়াল ভিলেজ রোডের বাসিন্দা এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগে জানান, গত কয়েক দিনে তাঁর বাড়ি থেকে কয়েক লক্ষ টাকার সোনার গয়না এবং নগদ টাকা চুরি গিয়েছে। তদন্তে নেমে ওই বাড়িতে কাদের যাতায়াত ছিল, সেই খোঁজ শুরু করে পুলিশ। সেই সূত্রেই মদিনার খোঁজ মেলে।

আরও পড়ুন