—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা কী ভাবে সামাজমাধ্যম ব্যবহার করবেন সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস ও প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা যাতে অক্ষুণ্ণ থাকে তার জন্যই এই পদক্ষেপ।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমাজমাধ্যমে পদাধিকারী আধিকারিকদের বক্তব্য যেন তথ্যনিষ্ঠ হয়। তবে সেখানে যেন ব্যক্তিগত মতামত না থাকে। সরকারি বা তদন্তাধীন গোপন নথি প্রকাশ করা থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।
সকল আধিকারিক ও কর্মীদের প্রতি আরও পরামর্শ সরকারি প্রকল্প, নীতি এবং ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিষয়ে কোনও মত যেন নিরপেক্ষ থাকে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উচ্চপর্যায়ের আধিকারিক, সহকর্মী বা অন্য কোনও দফতরের প্রতি কোনও পুলিশ আধিকারিক বা কর্মী যেন না ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য করেন।
জানানো হয়েছে দায়িত্বপালনের জন্য কোথাও যাওয়া, স্পর্শকাতর অভিযানের বিষয়ে সমাজমাধ্যমে যেন কিছু প্রকাশ না করা হয়। সেই সঙ্গে পরামর্শ, ‘ভাবমূর্তি’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সমাজমাধ্যমে সরকারি গাড়ি, নির্দিষ্ট পোশাক, ব্যাজ, শো-পিস ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না। আরও জানানো হয়েছে, ভাষা ও পোশাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে পুলিশের ‘মর্যাদা’র কথা।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ব্যক্তিগত সমাজমাধ্যমে কোনও সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করা যাবে না। তবে গুরুতর কোনও ঘটনা ঘটলে তা দফতরের নজরে নিয়ে আসার জন্য দাফতরিক বা ব্যক্তিগত সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা যাবে।
সব মিলিয়ে কলকাতা পুলিশের নয়া নির্দেশিকায় পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীদের বলা হয়েছে সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে হবে এমন ভাবে যাতে সর্বদা পুলিশের ‘ভাবমূর্তি’ বজায় থাকে।