Traffic Cases in Kolkata

নিম্নমানের হেলমেট, বেআইনি পার্কিং, বাড়তি সওয়ারি! রাজ্যে পালাবদলের ১০ দিনে ট্রাফিক আইনে কত মামলা কলকাতায়?

কলকাতা পুলিশের তরফে ৮-১৭ মে পর্যন্ত তাদের এলাকায় বেআইনি পার্কিং, হেলমেট ছাড়া বাইক যাত্রা, নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার এবং ‘ট্রিপল রাইডিং’-এ ধরপাকড় ও মামলার পরিসংখ‍্যান দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ ২০:৩৮
Kolkata Police register thousands of cases where bikers did not wear helmet and breaking traffic rules

ট্রাফিকবিধি লঙ্ঘনে আরও কড়া পুলিশ। —ফাইল চিত্র।

শুধু হেলমেট পরলেই চলবে না। সেই হেলমেটে ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস-এর (বিআইএস) অনুমোদিত ‘আইএসআই’ তকমা না-থাকলেও বাইকচালকের বিরুদ্ধে হবে মামলা। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার ঠিক আগে থেকে কলকাতা পুলিশ পথনিরাপত্তা সংক্রান্ত পদক্ষেপের যে পরিসংখ্যান দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে হেলমেটহীন চালক ও আরোহীদের পাশাপাশি, নিম্নমানের হেলমেট পরিহিতদের বিরুদ্ধেও মামলা শুরু হয়েছে!

Advertisement

এ ছাড়া, বেআইনি ভাবে মোটরবাইকে তিন জন সওয়ার হওয়া, সিগন্যাল না-মানা, নিরাপত্তা সংক্রান্ত অন্যান্য বিধি অমান্য করা এমনকি, বেআইনি পার্কিং করার অভিযোগেও দেদার আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। গত ৯ মে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার শপথ নিয়েছে। কলকাতা পুলিশের তরফে ৮-১৭ মে পর্যন্ত তাদের এলাকায় বেআইনি পার্কিং, হেলমেট ছাড়া বাইক যাত্রা, নিম্নমানের হেলমেট ব্যবহার এবং ‘ট্রিপল রাইডিং’-এ ধরপাকড় ও মামলার পরিসংখ‍্যান দেওয়া হয়েছে।

পুলিশি পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, এর মধ‍্যে এই ১০ দিনে বিভিন্ন ‘ট্রাফিক গার্ড’ এবং থানায় ২৭ হাজারের বেশি বেআইনি পার্কিংয়ের কেস হয়েছে। হেলমেটহীন এবং হেলমেটের জন‍্য যে নির্দিষ্ট মাপকাঠি রয়েছে সেই নিয়ম না মানায় এবং ট্রাফিক আইন ভাঙার অভিযোগে ১৬ হাজারের উপর বাইক ‘প্রসিকিউশন’ হয়েছে। বেআইনি ভাবে ‘ট্রিপল রাইডিং’-এর মামলা হয়েছে ২৭৩৮টি। প্রসঙ্গত, কলকাতার নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় হেলমেটবিহীন চালকদের যাতায়াত বেশি বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি, ওই জায়গাগুলিতে সিগন্যাল না-মানার অভিযোগও বিস্তর। বহু বাইকআরোহী নিয়ম না-মেনে ব্যস্ত রাস্তায় বাইক চালান। রাতের দিকে একাধিক জায়গায় দ্রুতগতিতে বাইক চালানোর প্রবণতাও দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে বেপরোয়া বাইক চালানোর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ ছিল। এ বার সেই পরিস্থিতি বদলাতে বিশেষ সক্রিয়তা দেখানো হচ্ছে বলে লালবাজার সূত্রের খবর।

Advertisement
আরও পড়ুন