—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
দূরপাল্লার ট্রেনের পথ শুধু নয়, এ বার হাওড়া এবং শিয়ালদহ ডিভিশনের শহরতলির রেলপথকেও কবচ ব্যবস্থার সুরক্ষার আওতায় আনতে চায় রেল। দুই ডিভিশন মিলেদৈনিক প্রায় ৪০ লক্ষ যাত্রী শহরতলির ট্রেনে সফর করেন। যাত্রীদের নিরাপত্তা ছাড়াও কম সময়ের ব্যবধানে ট্রেন চলাচল বাড়াতে ওই প্রযুক্তি বসানোর কাজ শুরু হচ্ছে বলে রেল সূত্রের খবর।
হাওড়া-নয়া দিল্লি রুটের ব্যস্ত পরিসরে পূর্ব রেলের ধানবাদ পর্যন্ত অংশে নতুন প্রযুক্তি বসানোর কাজ আগামী জুলাই মাসের আগেই সম্পূর্ণ করতে চায় রেল। ওই পথেপ্রায় ৯০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে বলে রেল সূত্রের খবর। ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা বাড়াতে লেভেল ক্রসিংয়ের সংখ্যা কমাতে চেষ্টা করছে রেল। শহরতলির বিভিন্ন শাখায় লেভেল ক্রসিংয়ের কারণে বহু ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত ব্যাহত হচ্ছে বলে রেল সূত্রের খবর। ওই সমস্যা কমাতে রাজ্যে ১০১টি রোড ওভারব্রিজনির্মাণের সিদ্ধান্ত হলেও অন্তত ৭০টি ক্ষেত্রে জমি সমস্যায় কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে বলে রেল সূত্রে দাবি করা হয়েছে। হাওড়া থেকেবেশি সংখ্যায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালাতে পাঁচটি প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য বাড়ানো ছাড়াও ট্রেনরক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন পরিকাঠামো উন্নত করা হচ্ছে।
রাজ্যে বিভিন্ন প্রকল্প খাতে রেলের বরাদ্দ গত বাজেটের তুলনায় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বাজেটে ওই বরাদ্দ ছিল প্রায় ১৩ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। এ বার ওই বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে ঠেকেছে ১৪ বাজার ২০৫ কোটি টাকায়। সোমবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, রাজ্যে রেলের বিভিন্ন প্রকল্প খাতে দরাজ হাতে টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বারাণসী-শিলিগুড়ি হাইস্পিড রেল করিডরকে পরে গুয়াহাটি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানান তিনি।
ইউপিএ সরকারের পাঁচ বছরের মোট বরাদ্দের প্রায় তিন গুণ টাকা প্রতি বছর বরাদ্দ করা হচ্ছে বলে রেল সূত্রের দাবি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে লেভেল ক্রসিং এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যা মেটাতে রাজ্যে প্রশাসনের সাহায্য চাওয়া হয়েছে বলে সোমবার জানিয়েছেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউস্কর।