Arrest

বোনকে খুনে ধৃত দাদার পুলিশি হেফাজত

গত জানুয়ারিতে নারকেলডাঙার শিবতলা লেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় পুষ্পার দেহ। ময়না তদন্তে জানা যায় নাক-মুখ চাপা দিয়ে, গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেনঅভিযুক্ত সঞ্জিৎ।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ০৬:৩৬

—প্রতীকী চিত্র।

এলাকারই যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বিহারের বাসিন্দা তরুণীর। যা মানতে পারেনি তরুণীর পরিবার। সম্পর্ক ভাঙতে ২২ বছরের সেই তরুণী পুষ্পা কুমারীকে প্রথমে কলকাতায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। খুনের অভিযোগে তরুণীর দাদা সঞ্জিৎ শাহকে গ্রেফতার করল নারকেলডাঙা থানার পুলিশ।

গত জানুয়ারিতে নারকেলডাঙার শিবতলা লেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় পুষ্পার দেহ। ময়না তদন্তে জানা যায় নাক-মুখ চাপা দিয়ে, গলায় কাপড়ের ফাঁস দিয়ে খুন করা হয়েছে ওই তরুণীকে। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন অভিযুক্ত সঞ্জিৎ। ঘটনার প্রায় দু’মাস পরে শুক্রবার রাতে নারকেলডাঙা থানা এলাকা তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার শিয়ালদহে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের আদালত ধৃতকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, মূলত বিহারের নালন্দার বাসিন্দা পুষ্পা স্থানীয় এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তা নিয়ে আপত্তি ছিল পুষ্পার পরিবারের। তাই সম্পর্ক শেষ করতে পুষ্পাকে তাঁর বাবার কাছে কলকাতায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ, তার পরে পুষ্পাকে খুন করে গা ঢাকা দেয় তাঁর দাদা সঞ্জিৎ।

এ দিন সঞ্জিৎকে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করা হলে সরকারি আইনজীবী তাকে পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, ‘‘অভিযুক্ত মুম্বই, বিহার ইত্যাদি জায়গায় পালিয়েছিল।’’ আদালত ওই আর্জি মঞ্জুর করেছে।

আরও পড়ুন