Molestation in Kolkata

যুক্ত হয়েছে ধর্ষণের ধারা! কলকাতার নেটপ্রভাবীকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে পাঠাল আদালত

সরকারি আইনজীবী জানান, জানান, কোথায় ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে, তা জানতে হবে। অভিযুক্তের পোশাকও বাজেয়াপ্ত করতে হবে। এই সব কারণে অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানান তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:০১

— প্রতীকী চিত্র।

বান্ধবীকে জোর করে আটকে রেখে শ্লীলতাহানিতে অভিযুক্ত কলকাতার নেটপ্রভাবীকে পুলিশি হেফাজতে পাঠাল আদালত। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতেই থাকবেন তিনি। এই মামলায় ধর্ষণের ধারাও যুক্ত হয়েছে।

Advertisement

সরকারী আইনজীবী সৌরীন ঘোষাল আদালতে বলেন, ‘‘নির্যাতিতার উপর জোর করা হয়েছিল। তাঁর চোট পাওয়ার প্রমাণ রয়েছে। প্রথম দিকে অভিযোগকারিণী ভীত ছিলেন।’’ এর পরেই তিনি জানান, কোথায় ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে, তা জানতে হবে। অভিযুক্তের পোশাকও বাজেয়াপ্ত করতে হবে। এই সব কারণে অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানান তিনি। নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

অভিযুক্ত বেহালার বাসিন্দা। অভিযোগকারী তরুণী তাঁর বান্ধবী। গত ২ ফেব্রুয়ারি বন্ধুত্বের সূত্রেই তিনি নেটপ্রভাবী যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সে দিন রাত সা়ড়ে ৯টা থেকে পরের দিন অর্থাৎ, ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত তাঁকে নিজের বাড়িতেই অন্যায় ভাবে আটকে রাখেন যুবক। এই সময়ের মধ্যে তরুণীকে মারধর করা হয়। ঘুষি মারার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। পুলিশকে তরুণী জানিয়েছেন, তাঁকে অশালীন ভাবে স্পর্শ করা হয়েছে এবং তাঁর পোশাক ধরে টানাটানি করা হয়েছে। কোনও একটি বিষয়ে তাঁদের মধ্যে বচসা চলছিল। সে বিষয়ে তরুণীকে ভয়ও দেখান অভিযুক্ত।

বুধবার বেহালা থানায় তরুণী ওই যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৭ (২), ১১৫ (২), ৭৪ এবং ৩৫১ (২) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর রুজু করে।

Advertisement
আরও পড়ুন