তখন নল-দময়ন্তী ও বিবাহ-বিভ্রাট-এর মতো নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে স্টার থিয়েটারে। কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপন দিয়ে জানালেন যে, ১৮৮৭ সালের ৮ মার্চ লর্ড এবং লেডি ডাফরিন থিয়েটারে নাটক দেখতে আসবেন। কিন্তু অনুষ্ঠানের ঠিক আগের দিন তা বাতিল করা হল। এর কারণ স্পষ্ট হল কয়েক মাস পর। এক মিশনারি সাহেব সংবাদপত্রে লিখলেন, বাংলা থিয়েটারের অভিনেত্রীরা ‘পাবলিক উইমেন’, জানার পর লাটসাহেব অনুষ্ঠানে আসেননি। সাহেব আরও লিখলেন, অন্য শ্বেতাঙ্গদেরও এই নাট্যশালাগুলির পৃষ্ঠপোষকতা করা অনুচিত, এদেশীয় ভদ্রসমাজও তেমনই মনে করে। এমন অন্যায্য আক্রমণের মুখে কড়া জবাবি চিঠি দিলেন স্টার-এর তৎকালীন ম্যানেজার অমৃতলাল বসু। পত্রলেখককে অভিযোগ প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ জানালেন তিনি। সাহেব অবশ্য সেদিকে আর পা বাড়াননি। তবে এই ঘটনাটি উনিশ শতকের শেষ দিকে বিনোদন শিল্পে মেয়েদের কাজের প্রতিকূল পরিস্থিতি তুলে ধরে।
সময় বদলেছে। অভিনয় তো বটেই, নাটকের নির্দেশনাতেও মেয়েরা নিজেদের কৃতিত্ব প্রমাণ করে যথাযোগ্য স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। আগামীকাল ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে থিয়েটারে মেয়েদের দীর্ঘ যাত্রাকে কুর্নিশ জানাতে গিরিশ মঞ্চে ‘নান্দীপট’ আয়োজন করেছে ‘নারীর মঞ্চ’ উৎসব। ৬ থেকে ১১ মার্চ প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মঞ্চায়িত হচ্ছে একগুচ্ছ নাটক: সেই এক বিনোদিনী, মাৎস্যন্যায়, পাঞ্চজন্য, আবু হোসেন, চিচিবাবা ল্যান্ড ও কুরবানি। পরিচালনায় যথাক্রমে অনিন্দিতা বন্দ্যোপাধ্যায় অর্পিতা ঘোষ সোহিনী সেনগুপ্ত তিতাস ঠাকুর সুলগ্না নাথ ও সর্বাণী ভট্টাচার্য। আগামী কাল সন্ধ্যা ৬টায় ‘নারীর মঞ্চ’ সম্মাননায় ভূষিত হবেন সোহিনী সেনগুপ্ত, নেপথ্য নাট্যকর্মী হিসেবে সম্মানিত হবেন অরুণাংশু ঘোষ।
গোর্কি সদনের রাশিয়ান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড কালচার-এ ভারতের নানা প্রান্তের ৭০ জন মহিলা শিল্পীর কাজ নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন, নারী দিবস উপলক্ষে। নানা ধর্মীয় গোষ্ঠী থেকে আসা, পনেরো থেকে আশি বছর বয়সের শিল্পীদের কাজ— পেনসিল স্কেচ থেকে ক্রস স্টিচ পর্যন্ত বিভিন্ন মাধ্যমে। ৫ মার্চ শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে ১৩ মার্চ পর্যন্ত, শনি-রবি বাদে রোজ দুপুর ৩টে-সন্ধ্যা ৭টা। এ ছাড়াও শেক্সপিয়র সরণির ‘গ্যালারি-৮৮’-এ শিল্পী রানী চন্দের লিনোকাট (ছবি) ও তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ জেনানা ফাটক-এর প্রেরণায় রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের লিনোকাটের প্রদর্শনী ‘অ্যাপেন্ডস: ওয়ার্কস ইন রেসপন্স টু রানী চন্দ’স লিনোকাটস’ দেখার সুযোগ ২১ মার্চ পর্যন্ত।
আগামী ১৬ মার্চ বিকেল সাড়ে ৫টায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের ইস্টার্ন টেরেসে ‘উত্তরণ’ অনুষ্ঠানে বিশ্ব নারী দিবস পালিত হবে গান, নাচ, কবিতা ও ছবিতে। অতুলপ্রসাদ ও রজনীকান্ত সেন, দ্বিজেন্দ্রলাল ও দিলীপকুমার রায়ের গানের ভিত্তিতে দেশমাতৃকা, রাধা, সীতা ও ইভ-এর আখ্যান তুলে ধরা হবে। গানে ছাত্রীদের নিয়ে থাকবেন নূপুরছন্দা ঘোষ, আবৃত্তিতে ঊর্মিমালা বসু, নৃত্যে উর্মিলা ভৌমিক, চিত্রাঙ্কনে ববিতা দাস, ভাষ্যপাঠে গৌরী বসু। শিল্পের নানা ধারায় নারীর সংগ্রাম ও সাফল্য-গাথায় উঠে আসবে সেই স্বর, বৈষম্যের অন্ত চায় যা।
কোন আলোতে
‘শতবর্ষে নাটক ও নাটককার’। দু’দিন ব্যাপী আলোচনাচক্রে এমনই বিষয়-শিরোনাম ভেবেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, তাদের বাংলা বিভাগ ও আইকিউএসি বিভাগের আয়োজনে আগামী ১১ ও ১২ মার্চ অনুষ্ঠান বি টি রোডের মরকতকুঞ্জ প্রাঙ্গণে, কবিজননী সারদা কক্ষে। রবীন্দ্রনাথের রক্তকরবী নাটক, এবং শতবর্ষী বাদল সরকারের নানা দিক-আঙ্গিকের উপর আলোকপাত করবেন গুণিজন: সূচক ভাষণে শমীক বন্দ্যোপাধ্যায়, দিনভর নানা অধিবেশনে বলবেন হিমবন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় দেবাশিস মজুমদার শুভাশিস গঙ্গোপাধ্যায় উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় দর্শন চৌধুরী দত্তাত্রেয় দত্ত শেখর সমাদ্দার সত্য ভাদুড়ি সৌমিত্র বসু প্রমুখ। বৈশাখের দেরি তো কী, বসন্তেই এ শহর রবীন্দ্রময়: আগামী ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধে ৬টায় কালীঘাট পার্কে রবীন্দ্রচর্চা ভবনে ‘পদ্মা পাড়ের কবি’ বিষয়ে কথায় ও গানে অতিথি এ শহরের প্রিয়জন, শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। ছবিতে চিত্রশিল্পী গণেশ পাইনের অঙ্কনে রক্তকরবী-র চিত্রকল্প।
কর্মব্রতী
মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা আন্দোলনের কর্মী, ঋজু সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন নিরঞ্জন হালদার। ভাষার অধিকার আন্দোলন থেকে জরুরি অবস্থা— তাঁর আপসহীন অবস্থানের জন্য শাসকের রোষে পড়েছেন, আপস করেননি। দীর্ঘকাল সাংবাদিক হিসেবে যুক্ত ছিলেন আনন্দবাজার পত্রিকা-র সঙ্গে। আবার দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তুলে ধরেছেন জনজাতি অধিকার, পরিবেশ রক্ষা, প্রান্তিক মানুষের কথা। তাঁর কাজ ও চিন্তাধারায় প্রভাবিত পরবর্তী প্রজন্মের বহু সাংবাদিক ও সমাজকর্মী। কর্মিষ্ঠ মানুষটি প্রয়াত হলেন সম্প্রতি, গত ১ মার্চ বিকেলে কলেজ স্ট্রিটের বই-চিত্র সভাঘরে তাঁকে স্মরণ করলেন আত্মজনেরা।
নাট্য-আয়োজন
সনিষ্ঠ থিয়েটার চর্চায় প্রায় চার দশক পেরোচ্ছে একটি নাট্যদল, গর্বের। ১০ মার্চ আটত্রিশ বছৱে পড়বে ‘কথাকৃতি’, তারই উদ্যাপন দু’দিন ব্যাপী নাট্য-আয়োজনে। আগামী কাল সন্ধ্যা ৬টায় অবনীন্দ্র সভাগৃহে ‘মোহিত চট্টোপাধ্যায় স্মারক বক্তৃতামালা’ সূচনায় নাটককার ও নির্দেশক সুমন সেনগুপ্ত; প্রাককথনে সৌমিত্র বসু। ‘রবীন্দ্র-কাহিনির তিন নারী, অন্দর থেকে বাহিরে: এলা, দামিনী ও বিমলা’ শিরোনামে মূল স্মারক বক্তৃতাটি, বলবেন কাবেরী বসু। পরে রবীন্দ্র-উপন্যাস চার অধ্যায় থেকে পাঠাভিনয়, সঞ্জীব রায়ের নির্দেশনায়। ৯ মার্চ ৫টায় তৃপ্তি মিত্র নাট্যগৃহে স্বল্পদৈর্ঘ্য নাটকত্রয়: কথাকৃতি-র ইতি-কথা, বাকসা ব্রাত্য নাট্যজন-এর রাক্ষস ও কোটনিস মাস থিয়েটার গ্রুপ-এর নিবেদনে রক্তকরবী-র দৃশ্যাংশ।
রোদন-ভরা
রবীন গঙ্গোপাধ্যায় টোপা দত্ত শীতল গঙ্গোপাধ্যায় সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় নালু মিত্র ঘনশ্যাম পাইন অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায়দের পথে মন্দিরাবাদনে সাম্প্রতিক কালের অন্যতম সেরা নাম হয়ে উঠেছিলেন তপন অধিকারী। দক্ষ তবলাবাদক, তবে মঞ্চে পরিচিতি মন্দিরাবাদক হিসেবে। তবলায় জুড়ি ওঁর যমজ দোসর স্বপন, দু’জনকে কদাপি আলাদা করা যায়নি। অজস্র রেকর্ডিং আর মঞ্চানুষ্ঠানের স্মৃতি রেখে, মৃদুভাষী হাস্যমুখ শিল্পী তপন গত ২৩ জানুয়ারি পাড়ি দিলেন সুরলোকে। বহু শিল্পীর সুরসঙ্গীর স্মৃতিতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্র সদনে হয়ে গেল ‘ছায়াবীথি’র অনুষ্ঠান, অলক রায়চৌধুরী স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত অগ্নিভ বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রাবণী সেন প্রমুখের উপস্থিতিতে। রোদন-ভরা বসন্তে প্রবীণ-নবীন শিল্পীর অঞ্জলি।
সেতুবন্ধন
হাতে-কলমে চলচ্চিত্র শিক্ষার বিদ্যায়তন, তা বলে কেবলই সিনেমাশিল্পের চর্চা নয়। সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই) আগ্রহী নানা শিল্পের সেতুবন্ধনে। ‘ক্লাসিক্যাল ফিউচারস’ শিরোনামে আজ দুপুর ৩টে থেকে রাত ৮টা তাদের মূল প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় মার্গসঙ্গীতের অনুষ্ঠান, সঙ্গী ‘পারম্পরিক’। কণ্ঠসঙ্গীত, সেতার ও কত্থক নৃত্যে তরুণ প্রজন্মের একঝাঁক শিল্পীকে সসম্মানে সুযোগ করে দিয়েছেন উদ্যোক্তারা। অন্য দিকে, কলকাতার মার্গসঙ্গীত-আকাশে ‘অন্নপূর্ণা দেবী ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত যে কোনও উপস্থাপনাই জেগে থাকে তারাটির মতো, গতকাল থেকে জি ডি বিড়লা সভাঘরে সুরসাধিকা অন্নপূর্ণা দেবীর শতবর্ষ স্মরণে শুরু হয়েছে সঙ্গীতাঞ্জলি। আজ ও কাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে কণ্ঠসঙ্গীত সরোদ ও বাঁশি— পণ্ডিত বসন্ত কাবরা শান্তনু ভট্টাচার্য রাজেন্দ্র ও রীতেশ প্রসন্ন বিদুষী অশ্বিনী ভিদে দেশপাণ্ডে প্রমুখের নিবেদনে।
ওদের ঋত্বিক
২০১২-য় দানা বাঁধে শিল্পী-গোষ্ঠী ‘চালচিত্র অ্যাকাডেমি’। ভাবনাটা ছিল সহজ: শিল্পকে নিয়ে যেতে হবে প্রত্যন্তে, প্রান্তভূমি থেকে কোন শিল্পধারা উদ্গত হতে পারে, দেখতে হবে। ছিল এই প্রশ্নও: একটা ভাস্কর্য গড়া কি একটা ছবি আঁকাই কি শিল্প? না কি তা এই বিশ্বকে দেখার, যে ভাবে বাঁচছি তারই ‘দর্শন’ এক? প্রকৃতিই কি নয় বিরাট এক ক্যানভাস, মানুষ যার অংশমাত্র? এই লক্ষ্য ২০১৮-য় জন্ম দিল ‘খোয়াবগাঁও’ প্রকল্পের: ঝাড়গ্রামের লোধা-জনজাতি অধ্যুষিত এক গ্রামে শুরু, এখন বিস্তৃততর আরও। গ্রামজীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত শিল্পযাপন; কুটিরের দেওয়ালে ছবি আঁকা, নানা শিল্পবস্তু গড়া, ঘরে-বাইরে নানা শিল্প ও শিল্পীর সঙ্গে ভাব-বিনিময়। এই সবই করছে শিশু-কিশোররা, নিজেদের শর্তে ও আনন্দে। সম্প্রতি ওরা এঁকেছে ঋত্বিক ঘটকের বাড়ি থেকে পালিয়ে ছবির নানা দৃশ্য, ওদের নিজস্ব ঋত্বিক-শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাতেই সেজে উঠেছে নতুন বছরের চোখ-জুড়ানো টেবিল-ক্যালেন্ডার (ছবি)।
অন্য মাত্রা
চিত্রশিল্পীর নিজের জীবনও হয়ে উঠতে পারে তাঁর আঁকার বিষয়। ছেলেবেলা, আর্ট কলেজে ‘আঁকা শেখা’র স্মৃতি, এই সব ব্যক্তিগতে মিশে যায় যাপিত সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা: লোকসংস্কার, উৎসব। স্বচ্ছ জলরঙেই হোক বা অ্যাক্রিলিকে, সেই স্মৃতি ও সত্তাকেই তুলে ধরেন পুলক কর্মকার। ইন্ডিয়ান কলেজ অব আর্ট অ্যান্ড ড্রাফ্টসম্যানশিপ-এর প্রাক্তনী এই শিল্পীর পঞ্চম একক চিত্রপ্রদর্শনী ‘অর্কেস্ট্রা অব কালারস’ (ছবি) উদ্বোধন করবেন সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, আগামী কাল, অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টস-এর ওয়েস্ট গ্যালারিতে। জলরঙে আঁকার সময় তুলি বার বার ধুয়ে নিয়ে ফের কাগজে-ক্যানভাসে বোলানোর যে পুনরাবৃত্ত প্রক্রিয়া, তা জন্ম দিতে পারে এক নতুন ‘টেক্সচার’ ও ‘ফর্ম’, ছবির বিষয়কে দিতে পারে অনন্য মাত্রা— এমনই এক নিরীক্ষা করতে চেয়েছেন শিল্পী। ১৪ মার্চ পর্যন্ত, বেলা ১২টা থেকে রাত ৮টা।
শিল্পের অঙ্গনে
সাধারণ অর্থে ‘এক্সপোজ়িশন’-এর অর্থ প্রদর্শন বা উপস্থাপনা। ‘আর্ট এক্সপোজ়িশন’-এ চিত্রকলা ভাস্কর্য আলোকচিত্র হস্তশিল্প-সহ শিল্পের নানা পরিসর তুলে ধরা হয়, শিল্পী ও শিল্প-বিশেষজ্ঞদের সবিস্তার ব্যাখ্যা-সহ। রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, গোলপার্কের মিউজ়িয়ম ও আর্ট গ্যালারির উদ্যোগে গত ২১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি সেখানকার আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রদর্শনীকক্ষে হয়ে গেল তেমনই এক উপস্থাপনা— প্রদর্শনী, জলরং-ওয়াশ কর্মশালা, লাইভ আর্ট সেশন, নাচ, গান, তথ্যচিত্র, নাটক, বিশেষজ্ঞদের শিল্প-আলোচনায় সাজানো। নারকেলের মালার তৈরি শিল্পবস্তুর প্রদর্শন যেমন ছিল, তেমনই দস্তানা-পুতুলনাচের ডেমনস্ট্রেশন, টেরাকোটা প্লেটে কৃষ্ণলীলা, মাটি দিয়ে খুদে শিল্পবস্তু গড়ার উপস্থাপনা, লং প্লেয়িং রেকর্ড নিয়ে আলোচনাও! এমন আয়োজন বার বার হোক।