Kolkata Karcha

কলকাতার কড়চা: নতুন বছরের আগমনী

ঐতিহ্যকে কর্মে মর্মে ভাবনায় বাঁচিয়ে রাখেন যাঁরা, তাঁদের কৃতিতে। ঐতিহ্য শুধু অতীতের স্থাবর প্রদর্শ নয়, সে সপ্রাণ: জীবনে আনন্দ ঢালে রোজ, শিকড়ে ফেরা শেখায়, শক্তি দেয় এগোনোর।

নিজস্ব প্রতিবেদন
শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৩

পাথুরিয়াঘাটায় ঠাকুর পরিবারের যে ধারাটি, তারই উল্লেখযোগ্য এক চরিত্র প্রবোধেন্দুনাথ ঠাকুর। দর্পনারায়ণ ঠাকুরের প্রপৌত্র কালীকৃষ্ণ ঠাকুর— তাঁর পৌত্র প্রফুল্লনাথের আত্মজ তিনি। প্রবোধেন্দুনাথকে ছবি আঁকা শেখানোর জন্য স্বয়ং অবনীন্দ্রনাথকে আহ্বান ও আমন্ত্রণ করেছিলেন প্রফুল্লনাথ। পরবর্তী সময়ে লেখক-অনুবাদক হিসেবে প্রবোধেন্দুনাথের পরিচিতি তাঁর চিত্রকর পরিচয়কে ছাপিয়ে গেলেও, রসজ্ঞ গবেষকেরা ঠাকুরবাড়ির এই শিল্পীকে ভোলেননি। প্রবোধেন্দুনাথের ছন্দোময় ওয়াশ শৈলীর ছবিতে ভারতীয় উপাদানের সঙ্গে মিশেছে আধুনিকতার ছোঁয়াও। নতুন বছরে সুসংবাদ, যদুনাথ ভবন মিউজ়িয়ম অ্যান্ড রিসোর্স সেন্টার ২০২৬-এর টেবিল ক্যালেন্ডারে তুলে ধরেছে প্রবোধেন্দুনাথ ঠাকুরের বেশ ক’টি নিসর্গচিত্র (মাঝের ছবি)। তপতী গুহঠাকুরতার ভাবনা এবং সুজান মুখোপাধ্যায়ের নকশায় সেজে ওঠা ক্যালেন্ডারটি তাঁকে যে শুধু মনে পড়াল তা-ই নয়, নতুন করে চেনালও।

সংস্কৃতির প্রাণভোমরা কোথায়? ঐতিহ্যকে কর্মে মর্মে ভাবনায় বাঁচিয়ে রাখেন যাঁরা, তাঁদের কৃতিতে। ঐতিহ্য শুধু অতীতের স্থাবর প্রদর্শ নয়, সে সপ্রাণ: জীবনে আনন্দ ঢালে রোজ, শিকড়ে ফেরা শেখায়, শক্তি দেয় এগোনোর। এই ভাবনা থেকেই ‘সোল: স্টোরিজ় অব আওয়ার লিভিং হেরিটেজ’ শিরোনামে নতুন বছরের টেবিল ক্যালেন্ডার গড়েছে সংস্কৃতি-চর্চা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলানাটক ডট কম, সঙ্গী জর্জ টেলিগ্রাফ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। বারোটি পৃষ্ঠায় বারোটি ঐতিহ্যবাহী শিল্পধারার ছবি: পটচিত্র, কাঁথা, ছৌ নাচ (উপরে বাঁ দিকে), টেরাকোটা, চদর বদর পুতুল, গমীরা নাচের মুখা, রায়বেঁশে নৃত্যধারা, পাহাড়ি নৃত্যগীত, সাবাই ঘাস ও শোলার কারুকৃতি, বাউল গান থেকে ‘ফোক হোলি’। ইংরেজিতে প্রতিটির সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও লেখা আছে, যাতে ভিন মাটির কারও বুঝতে অসুবিধে না হয়।

২০২২-এ পথ চলা শুরু ‘ক্যানভাস অব আনটোল্ড হিস্ট্রি’র। মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের যে ইতিহাস, তারই অনালোকিত নানা বিষয় সামনে তুলে ধরেন একটি বন্ধু-দল: মিতালি আবির সাগরিকা ও আরও অনেকে। গণ ও নারী আন্দোলনের কর্মী ওঁরা, বিচরণ শিল্পজগতেও: প্রতি বছর একটি টেবিল ক্যালেন্ডারে তুলে ধরেন নিজেদের বক্তব্য। এ বছরের বিষয় স্লোগান। সাম্প্রতিক কালে যে আন্দোলনগুলি ঘরে-বাইরে মানুষের আত্মপরিচয় ও আত্মমর্যাদা রক্ষায়, রাষ্ট্র ও বহুজাতিক স্বার্থের আগ্রাসনের মুখে, জল-জঙ্গল-জমির অধিকার হরণের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে একা বা একত্রে— তাদের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গান স্লোগান পোস্টার ছবি ও তাদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস উঠে এসেছে এই ক্যালেন্ডারের শরীরে— ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ থেকে ‘কাগজ় নেহি দিখায়েঙ্গে’, ‘গাঁও ছোড়ব নেহি জঙ্গল ছোড়ব নেহি’ বা ‘যুদ্ধ নয় শান্তি চাই’ (ছবিতে ডান দিকে)। এসেছে প্যালেস্টাইনের মুক্তির বার্তাও। জাতি ধর্ম ভাষা লিঙ্গ যৌন-পরিচয়ে নিহিত যে বহুত্ব, ক্যালেন্ডারের অবয়বে বছরভর তার বার্তা চোখের সামনে ও সত্তার গভীরে জাগিয়ে রাখাই উদ্দেশ্য।

শতবর্ষ সূচনায়

বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের ছাত্ররা গর্ব করে বলেন, আমি সত্যজিৎ রায়ের স্কুলে পড়েছি। ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি, ম্যাট্রিক পাশ করে বেরিয়ে যান ১৯৩৭-এ, লেখা আছে স্কুল-নথিতে। যখন ছোট ছিলাম লেখায় এই ইস্কুল নিয়ে লিখেছেন কত কথাই; স্কুল মাঠের এক পাশে অ্যাসেম্বলি হলের স্কাইলাইট-সহ দেওয়ালটি এঁকেছিলেন, স্কুলের কাছে সেই নামচিত্রও এক গর্বের অভিজ্ঞান। বাঙালির প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় আরও নানা ব্যক্তিত্ব এই স্কুলের প্রাক্তনী-তালিকায়: শম্ভু মিত্র ঋত্বিক ঘটক রাহুল দেব বর্মণ রজতকান্ত রায় সুখময় চক্রবর্তী শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় শেখর বসু প্রমুখ। ১৯২৭ সালের আজকের দিনে প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই স্কুল (ছবিতে, ২০১০ সালে), শতবর্ষের সূচনালগ্নটি সমাগত। তারই উদ্‌যাপন কর্তৃপক্ষ আয়োজিত পদযাত্রায়, আজ ৩ জানুয়ারি সকাল ৭টায় স্কুল প্রাঙ্গণে। বছরভর চলবে উৎসব, সমাজকল্যাণমূলক অনুষ্ঠান: সঙ্গী প্রাক্তনীরা। সমাপ্তি পরের বছর, পুনর্মিলন উৎসবের মধ্য দিয়ে।

সংহতির ডাক

সচেতন নাগরিক হিসেবে সমাজের উদ্বেগকে ভাগ করে নিতে, অন্যায়ের মুখে বিরুদ্ধতা জানান দিতে আর ভাবনার যথার্থ বিনিময়ের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সদ্য-অতীত বছরটিতে শহর কলকাতায় গড়ে উঠেছে ‘লেখক শিল্পী সংহতি মঞ্চ’। নতুন বছর শুরুর মুখে প্রথম রবিবারটিতে, আগামী কাল দুপুর ৩টে থেকে অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসের সামনে রাণুচ্ছায়া মঞ্চে তাদের ডাকে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা— ‘চুপকথা ভাঙো’। কথা কবিতা গান ছবি থিয়েটারের বহুস্বরে নীরবতা ও জড়তা ভাঙার আহ্বান জানাবেন মঞ্চের সদস্য ও অনুরাগীরা: থাকবেন অনিতা অগ্নিহোত্রী চন্দন সেন অনিকেত মাহাতো প্রমুখ; সঙ্গী হয়েছে ফ্রাঙ্কেনস্টাইন কালেক্টিভ, স্পন্দন পিপল’স থিয়েটার, হর্ষভাষ, গীত ও নৃত্যম, উত্তরসূরি সঙ্গীত গোষ্ঠীও।

সঙ্গীত-তর্পণ

সঙ্গীতকে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ ললিতকলা। নিজে ছিলেন নানা ধারার গানে সুদক্ষ, সমসময়ের ইতিবৃত্তে রয়েছে তার প্রমাণ। প্রতি বছর ১২ জানুয়ারি স্বামীজির জন্মদিনে মার্গসঙ্গীত উৎসব আয়োজনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানায় রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, গোলপার্ক। দিনব্যাপী গীত বাদ্য নৃত্যের অনুষ্ঠান, গুণী শিল্পীরা আসেন বিবেকানন্দ-তর্পণে। কলকাতার শ্রোতারা বিবেকানন্দ হল-এ নানা বছরে শুনেছেন পণ্ডিত ভীমসেন যোশী রবিশঙ্কর শিবকুমার শর্মা বিরজু মহারাজ উস্তাদ আল্লারাখা জাকির হুসেন গুরু কেলুচরণ মহাপাত্র-সহ মার্গসঙ্গীতের প্রণম্যদের। ৩৮তম বছরে সঙ্গীত নিবেদনে পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া যোগেশ সামসি কুমার বসু অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় দীপক মহারাজ উস্তাদ সাবির খান বিদুষী কলা রামনাথ জয়ন্তী কুমারেশ প্রমুখ।

শিকড়ে, আজও

১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ময়মনসিংহ প্রাক্তনী— বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ থেকে চলে আসা ও ছিন্নমূল মানুষকে একত্র করতে। ‘শেকড়ের সন্ধানে, মৈত্রীর বন্ধনে’ এই মূলমন্ত্রে, গত প্রায় ত্রিশ বছর ধরে চলছে তাদের সংস্কৃতি চর্চা, সমাজকল্যাণ ও সেবামূলক নানা কাজ। নতুন বছরের শুরুতে বার্ষিক প্রীতি সম্মেলনে একত্র হন প্রাক্তনী-সদস্যেরা, প্রকাশিত হয় মুখপত্র সমাচার। এ বছরের অনুষ্ঠান আগামী কাল ৪ জানুয়ারি রবিবার সকাল ১০টায়, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার গোলপার্কের শিবানন্দ হল-এ; থাকবেন স্বামী সুপর্ণানন্দ প্রদীপ ভট্টাচার্য জহর সরকার মমতাশঙ্কর স্বপন মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ময়মনসিংহ-রত্ন, জীবনকৃতি সম্মাননায় ভূষিত হবেন গুণিজনেরা।

এক মঞ্চেই

শীতের কলকাতা মানেই নাটকের উৎসব, নানা দলের সেরা প্রযোজনাগুলি পার্বণে দেখার সুযোগ। ‘বাঘাযতীন আলাপ’ নাট্যগোষ্ঠী নতুন বছরের শুরুতেই নিয়ে এসেছে ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বাংলা নাট্যোৎসব’। সবে দ্বিতীয় বছরে পা দিয়েছে বটে এই উৎসব, কিন্তু উদ্যম ও আন্তরিকতাটি খাঁটি: শীতশহরে একত্র করেছে দুবাই মেলবোর্ন অকল্যান্ড থেকে নিউ জার্সির নানা বাংলা নাটকের দলকে। আজ থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত, অ্যাকাডেমি মঞ্চে দেখা যাবে প্রহসন, চক্রব্যূহ, সাক্ষী, নো ম্যান’স ল্যান্ড নাটকগুলি, সেই সঙ্গে ঘরের কাছের নানা নাটকও: আজ দুপুর ২টোয় চেতনা-র ঘাসিরাম কোতোয়াল, রবিবার সকাল ১০টায় অনীক-এর আক্ষরিক, শেষ দিন দুপুর ২টোয় আলাপ-এর পদ্মা নদীর মাঝি ও সন্ধ্যায় নান্দীকার-এর পাঞ্চজন্য।

জীবনের রং

চিত্রশিল্পী মমতা মণ্ডলের শৈশব কেটেছে সুন্দরবনের মাতলা নদীতীরের মধুখালি গ্রামে। গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদী, খোলা আকাশ, জঙ্গল তাঁর মনকে গভীর ভাবে প্রভাবিত করে, সেই সঙ্গে আজন্ম থেকে দেখে আসা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আচার-অনুষ্ঠান, উৎসবও। সুন্দরবনে বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকার কঠিন বাস্তবতাও নিবিড় ভাবে জানা তাঁর। ছবি আঁকার প্রথাগত শিক্ষা ছাড়াই, প্রতিভা, স্মৃতি ও প্রকৃতির নিবিড় পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন তাঁর শিল্পবিশ্ব, নিজস্ব শৈলী। তাঁর ছবিতে পরিসরের বিন্যাস স্বতন্ত্র, ক্যানভাস ভরা উজ্জ্বল রঙ (ছবি) প্রশংসা পেয়েছে যোগেন চৌধুরী শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মিসাকো শিনের মতো গুণিজনদের। ‘স্রোত ও স্মৃতি: টারবুলেন্স অব রিভার মাতলা’ শিরোনামে এ বার তাঁর একক চিত্রপ্রদর্শনী শুরু হল কলকাতায় গতকাল, প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে গ্যালারি চারুবাসনা-র সুনয়নী চিত্রশালায়, গুণিজন-উপস্থিতিতে। দেখা যাবে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত, প্রতিদিন দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা।

অন্য বটতলা

সাধারণ্যের চাহিদা ও রুচিমাফিক নানা ধরনের বই ছাপা ছাড়াও, বাংলা মুদ্রণশিল্পের প্রযুক্তিগত বিবর্তনে বটতলার অধুনালুপ্ত প্রকাশনাগুলির গুরুত্ব কম নয়। আবার এই অঞ্চলেই দেখা মেলে বনেদি কলকাতার শেষ চিহ্ন, সেকালের বাবুদের তৈরি প্রাসাদোপম ইমারত: কলকাতার যে স্মৃতি মুছে যাচ্ছে ক্রমে। তবে সুকুমার সেনের সংজ্ঞা মেনে বটতলার ভৌগোলিক সীমা বাগবাজার থেকে বৌবাজার পর্যন্ত প্রসারিত করতে চান শিল্প-ইতিহাসবিদ অসিত পাল। এই এলাকার প্রায় দুই ডজন ইমারতের স্থাপত্য ও ইতিহাস নথিবদ্ধ করেছেন তিনি, বটতলার ঘরবাড়ি (মায়া বুকস) বইয়ে: বাগবাজারের বসুবাটী, পাথুরিয়াঘাটার টেগোর ক্যাসল, শোভাবাজার রাজবাড়ি (ছবিতে তার ঠাকুরদালান), জোড়াসাঁকো ঘোষবাড়ি-সহ নানা স্থাপত্য-কথা। আজ সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশ, মায়া আর্ট স্পেস-এ।

সলিল-স্মরণ

হিমেল সকালে সবাই হাজির হয়েছিলেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মরকতকুঞ্জ ক্যাম্পাসে। সবাই বলতে ছাত্রছাত্রী ও ওঁদের শিক্ষকেরা, আর নানা পেশা-পরিসরের মানুষ: সম্পাদক, সাংবাদিক, সিনেমা ও সঙ্গীত-অনুরাগী, রেকর্ড-সংগ্রাহক গবেষক। ওঁদের একত্র করেছিলেন সলিল চৌধুরী: তাঁর স্মরণে জন্মশতবার্ষিকী আলোচনাচক্রই ছিল উপলক্ষ। মুখ্য আয়োজক সাহিত্য অকাদেমি, সার্বিক সহযোগিতা করেছেন রবীন্দ্রভারতী কর্তৃপক্ষ: বঙ্কিমচন্দ্র সভাকক্ষে উদ্বোধনী অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য স্বয়ং। দুপুর থেকে শেষ-বিকেল— কবিজননী সারদা সভাকক্ষে তিনটি অধিবেশনের দশটি আলোচনায় কথা হল শতবর্ষী শিল্পী সলিল চৌধুরীর জীবন, ভাবনা, দর্শন ও কৃতি নিয়ে; সঙ্গী ছিল তাঁর গানও— সভামুখ্য ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকারা। ৩০ ডিসেম্বর, বছর-শেষের মুখে— আন্তরিক, বৌদ্ধিক তর্পণ।

আরও পড়ুন