রাজ্যের সব জেলায় রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। — ফাইল চিত্র।
কলকাতা-সহ রাজ্যের সব জেলায় মঙ্গলবার বৃষ্টি হয়েছে ঝেঁপে। সঙ্গে বাজ পড়েছে। সারা রাজ্যে বাজ পড়ে ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। কলকাতার রাস্তায় গাছ পড়ে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে বেশ কিছু রাস্তায়। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা বৃষ্টি হলেও বুধবার কলকাতায় সতর্কতা জারি করার মতো পরিস্থিতি নেই। তবে দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের আট জেলাতেই রয়েছে সতর্কতা। পাহাড় এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে রাজ্যে ঝড়বৃষ্টির কারণে আপাতত তাপমাত্রার হেরফের হবে না।
আগামী সোমবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বুধবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়ায় ঝড়বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে ঝড়বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা রয়েছে। সেখানে বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সমুদ্রে ৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো দমকা হাওয়া বইতে পারে। তাই বুধবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে বারণ করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গে আগামী সোমবার পর্যন্ত চলবে টানা বৃষ্টি। প্রতিদিনই আট জেলায় দুর্যোগের সতর্কতা রয়েছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টি (৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার) চলবে আগামী সোমবার পর্যন্ত। সপ্তাহান্তে ওই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী (৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সে জন্য জেলাগুলিতে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহান্তে কোচবিহারেও হতে পারে ভারী বৃষ্টি। বৃষ্টির পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গের আট জেলায় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। হতে পারে বজ্রপাতও।