সৌম্যদীপ চন্দ। —ফাইল ছবি।
খড়্গপুরকাণ্ডে অবশেষে গ্রেফতারি। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সৌম্যদীপ চন্দের মৃত্যুতে দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম দীপঙ্কর মাহাতো এবং খোকন মাহাতো। ৪০ বছরের দীপঙ্করের বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের বড়া গ্রামে। ৩২ বছরের খোকন হরিয়াতারার বাসিন্দা। শনিবার ধৃতদের সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
রাত নামলেই বাড়ির দরজায় টোকা দিচ্ছেন অজ্ঞাতপরিচিতরা এবং দরজা খুললে আধার, ভোটার কার্ড চাওয়া হচ্ছে— এই গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল ঝাড়গ্রামের কয়েকটি জায়গায়। তার পর রাতে টহলদারিতে নামেন স্থানীয় বাসিন্দার। পশ্চিম মেদিনীপুরের কয়েকটি জায়গাতেও টহলদারি শুরু হয়েছিল। গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বাইক নিয়ে কারখানায় কাজে যাচ্ছিলেন কেশিয়াড়ির বাসিন্দা সৌম্যদীপ। তাঁকে চোর সন্দেহে আটকে কয়েক জন মারধর করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটে খড়্গপুর লোকাল থানার ভেটিয়া এলাকার কাছে। পরে পুলিশ ওই ইঞ্জিনিয়ারকে উদ্ধার করে খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে সৌম্যদীপের পরিবার তাঁকে ওড়িশার কটকে নিয়ে যায়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি কটকের হাসপাতালে মৃত্যু হয় ৩৩ বছরের ওই ইঞ্জিনিয়ারের।
শেষমেশ ওই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করল পুলিশ। শনিবার জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর কেউ জড়িত কি না দেখা হচ্ছে।’’