Death in Tamluk Hotel

সরস্বতীপুজোয় হোটেলের ঘরে খুন বিবাহিত শিক্ষিকা, বিষপান প্রেমিকের! তমলুক-কাণ্ডে কী জানাল পুলিশ?

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতা মহিলার বয়স ৩২ বছর। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানার বাসিন্দা তিনি। পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩৭
Death in Tamluk Hotel

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

হোটেলের ঘরে ঝগড়া করে বিবাহিত প্রেমিকাকে খুন করে আত্মহত্যার চেষ্টা প্রেমিকের। এমনই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে। অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার হওয়া প্রেমিক অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Advertisement

গত শুক্রবার সরস্বতীপুজোর দিন পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে একটি হোটেলে উঠেছিলেন যুগল। সেই হোটেলের তালাবন্ধ একটি ঘর থেকে যুবতীর নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গুরুতর অবস্থায় পাওয়া যায় যুবককে। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ অনুমান করে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জটিলতা থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। দুই যুবক-যুবতীর পরিচয় জানার চেষ্টা করতে থাকে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতা মহিলার বয়স ৩২ বছর। পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানার বাসিন্দা তিনি। পাঁশকুড়ার মেছোগ্রামে একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। বিবাহিত ওই শিক্ষিকার বছর পাঁচেকের একটি মেয়ে রয়েছে। সরস্বতীপুজোর দিন তমলুক থানার রামতারক এলাকায় হলদিয়া-মেচাদা জাতীয় সড়কের ধারে একটি হোটেলে যান তিনি। শিক্ষিকার সঙ্গে ছিলেন এক যুবক। রবিবার জানা যায়, হোটেলের ঘর থেকে শিক্ষিকাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। তাঁর সঙ্গীও আশঙ্কাজনক। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। তারা ওই যুবককে তমলুক মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় শিক্ষিকার দেহ। তাঁর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

সোমবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের এক পদস্থ কর্তা জানান, সম্পর্কে জটিলতা থেকে হোটেলের ঘরে প্রেমিকের হাতে খুন হয়েছেন ওই যুবতী। দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন ওই যুবক। ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‘হোটেলের ঘরে শ্বাসরোধ করে যুবতীকে খুন করা হয়েছে। পরে হয়তো অনুতাপে কিংবা পুলিশের হাত থেকে রক্ষা পেতে অভিযুক্ত কীটনাশক পান করেছেন। এখনও তদন্ত বাকি রয়েছে। এখনই এর চেয়ে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।’’

Advertisement
আরও পড়ুন