ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলর কানাইলাল দাস। —নিজস্ব চিত্র।
তমলুকে আর কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মারধর, খুনের চেষ্টা-সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছিল তমলুক পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কানাইলাল দাসের বিরুদ্ধে।
পালাবদলের পর থেকেই রাজ্য জুড়ে ছোট-মাঝারি-বড় তৃণমূল নেতানেত্রীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ উঠছে। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ। দিন কয়েকের মধ্যে তমলুক পুরসভার একাধিক কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়। সেই তালিকায় জুড়ল কানাইলালের নাম। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার গভীর রাতে তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তল্লাশি অভিযানের পর বাড়ি থেকে কানাইলালকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১১ জুন তমলুকের পদুমবসান এলাকার বাসিন্দা সিদ্ধার্থ সাঁতরা কানাইলালের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছিলেন, ওই দিন দুপুরে শঙ্করআড়া বাসপুল সংলগ্ন রেলক্রসিংয়ের কাছে একটি কালো রঙের স্করপিও গাড়ি তাঁর পথ আটকায়। তার পরে গাড়ি থেকে কয়েক জন নেমে তাঁকে গালিগালাজ করেন। মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ করেন সিদ্ধার্থ।
কানাইলাল ছাড়া তমলুক পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলর বিমলচন্দ্র ভৌমিক এবং গৌতম পালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন সিদ্ধার্থ। স্থানীয় আরও কয়েক জন তৃণমূল নেতার নামেও অভিযোগ তোলেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে আগেই অভিযুক্তদের তালিকায় থাকা অন্য কাউন্সিলরদের গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার গ্রেফতার করা হয় কানাইলালকে। মঙ্গলবার তাঁকে তমলুক আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। অভিযুক্তদের তরফে এই অভিযোগের বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।