—প্রতীকী চিত্র। TMC Leader Arrest
আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পর গ্রেফতার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। সোমবার এ নিয়ে উত্তেজনা পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর থানার শ্রীচন্দনপুরে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত তৃণমূল নেতার নাম খলিল মল্লিক। শ্রীচন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা তিনি। সোমবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা দেন পুলিশকর্মীরা। তল্লাশির সময় খলিলের বাড়ি থেকে একটি নাইন এমএম রিভলভার এবং এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়। ঘটনার প্রেক্ষিতে বাড়িমালিক তথা তৃণমূল নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
জেরার পরে গ্রেফতার করা হয় খলিলকে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ৩/২৫ (১বি) (এ) ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। মঙ্গলবার ধৃতকে দাঁতন এসিজেএম আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক তাঁর সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিজেপির কটাক্ষ, তৃণমূল নেতার কাছে বেআইনি অস্ত্র আছে, সারা রাজ্যে এমন খবর প্রচুর মিলবে। বিজেপি নেতা অরূপ দাসের খোঁচা, ‘‘তৃণমূল কংগ্রেস দুনিয়ার সব সমাজবিরোধীদের জনপ্রতিনিধি বানিয়েছিল। যারা বড় বড় চোর, ডাকাত, খুনি-ধর্ষক তারা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য, প্রধান জেলা পরিষদের সদস্য এমনকি সাংসদ হয়েছেন। ওরা ভেবেছিল এদের জনপ্রতিনিধি বানিয়ে রাজ করবে। সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করবে। কিন্তু আজ পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে। তৃণমূলকে মনে রাখতে হবে মুখ্যমন্ত্রীর নাম শুভেন্দু অধিকারী।’’
দলের নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার এবং তাঁর গ্রেফতারির বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।