Gangesagar Mela 2026

সাগর মেলাকে সামনে রেখে বাবুঘাটে মিনি গঙ্গাসাগর: অস্থায়ী শিবির তদারকিতে ডেপুটি মেয়র-সহ আরও দুই মেয়র পরিষদ

সাধু–সন্তদের সমাগমের কারণে বাবুঘাটের শিবিরকে ‘মিনি গঙ্গাসাগর মেলা’ বলেও চিহ্নিত করা হয়। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে যাবতীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলছে কলকাতা পুরসভা ও পূর্ত দফতর। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৩
Mini Gangesagar at Babughat ahead of Gangesagar Mela: Deputy Mayor in charge of temporary camp, extra vigilance and cleanliness measures

গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষে পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে বাবুঘাটে গড়ে তোলা হয়েছে অস্থায়ী শিবির। ছবি: পিটিআই।

প্রতিবছরের মতো চলতি বছরও গঙ্গাসাগর মেলাকে কেন্দ্র করে কলকাতার বাবুঘাটে তৈরি হচ্ছে ট্রানজিট পয়েন্ট ও অস্থায়ী শিবির। সাধু–সন্তদের সমাগমের কারণে এই শিবিরকে ‘মিনি গঙ্গাসাগর মেলা’ বলেও চিহ্নিত করা হয়। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে যাবতীয় পরিকাঠামো গড়ে তুলছে কলকাতা পুরসভা ও পূর্ত দফতর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গঙ্গাসাগর মেলা ঘিরে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু হয়েছে।

Advertisement

চলতি বছর বাবুঘাটের অস্থায়ী শিবির তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কলকাতার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ, মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার ও অসীম বসুকে। এই সপ্তাহ থেকেই গঙ্গাসাগরে তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত শুরু হবে, যা চলবে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলার মূল পর্বে মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ একঝাঁক মন্ত্রীকে গঙ্গাসাগরে পাঠানো হবে তদারকির কাজে। সেই কারণেই কলকাতার ক্ষেত্রে ডেপুটি মেয়রকে সামনে রেখে বাবুঘাটের ট্রানজিট পয়েন্ট সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। গত শুক্রবার বাবুঘাটে অস্থায়ী শিবিরের প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মেয়র বৈঠক করেন। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ সংশ্লিষ্ট মেয়র পরিষদ ও ডেপুটি মেয়রকে জানানো হয়।

পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের দাবি, এ বার বাবুঘাটের অস্থায়ী শিবির আরও পরিচ্ছন্ন রাখা হবে। আয়োজন ঘিরে প্রশাসনের সতর্কতাও থাকছে বাড়তি। ধুনি বা আগুন জ্বালানোর জায়গাগুলিতে বিশেষ নজরদারি থাকবে এবং সেখানে সিসি ক্যামেরার সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হবে। শিবির পরিষ্কার রাখতে এবার অতিরিক্ত কর্মী নামানো হচ্ছে। পানীয় জল, জঞ্জাল সাফ, শৌচালয় পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে কলকাতা পুরসভার হাতে। প্রতিবছর যেখানে তিন শিফটে ১২০ জন কর্মী কাজ করেন, সেখানে এবার ১৩০ জন কর্মী দায়িত্বে থাকবেন। জঞ্জাল অপসারণের জন্য বাড়তি গাড়ির ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন