Harassment and Murder Case Verdict

মুর্শিদাবাদে নাবালিকাকে শারীরিক নির্যাতন ও বিষ খাইয়ে খুন! দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার শেষে দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল আদালত

তদন্তে উঠে আসে, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইলেকট্রনিক প্রমাণ। সাক্ষীর মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা একটি ভিডিয়ো ফুটেজ। ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করতে বিশেষজ্ঞ সি সরকারের সাক্ষ্য আদালতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৩৬

—প্রতীকী চিত্র।

মুর্শিদাবাদ জেলায় এক নাবালিকা ধর্ষণ ও বিষপ্রয়োগে খুনের মামলায় দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত রাহুল হালদার ওরফে পাপ্পুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। ২০২৩ সালের জুন মাসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।

Advertisement

তদন্তে উঠে আসে, মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইলেকট্রনিক প্রমাণ। সাক্ষীর মোবাইল ফোনে রেকর্ড করা একটি ভিডিয়ো ফুটেজ। ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করতে বিশেষজ্ঞ সি সরকারের সাক্ষ্য আদালতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

তদন্তকারীরা আদালতকে জানান, ডিজিটাল প্রমাণগুলি আইনসম্মতভাবে যথাযথ হেফাজতকারীর কাছ থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষায় তার সত্যতা মিলেছে।

নির্যাতিতার মায়ের বয়ান অনুযায়ী, ঘটনার দিন দুপুরে মেয়ে দিদিমার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বার হয়। পরে বিকেলে অভিযুক্ত তাকে একটি আমবাগানে ডেকে নিয়ে যায় এবং একসঙ্গে মৃত্যুর প্ররোচনা দেয়। অভিযোগ, প্রথমে বিষ খাওয়াতে প্ররোচিত করা হয়, পরে অস্বীকার করলে জোর করে মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। বাড়ি ফিরে মেয়েটি অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায় এবং বলে যে তাকে জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন