Krishnagar Murder Case

‘সব জেনে ফেলেছে ও’, স্বামীকে সরাতে প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কৃষ্ণনগরের বধূর

২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাগআচড়া গোয়ালপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বিপুল ব্যাপারী নামে এক যুবককে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:৪৩

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্বামীকে খুন! দোষী সাব্যস্ত দুই যুবক-যুবতীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল নদিয়ার কৃষ্ণনগর জেলা আদালত। ৷

Advertisement

আদালত সূত্রে খবর, ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানা এলাকার বাগআচড়া গোয়ালপাড়া গ্রামে বাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বিপুল ব্যাপারী নামে এক যুবককে। প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে স্থানান্তর করা হয় কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে বছরের ৫ নভেম্বর মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের বাবা হীরালাল ব্যাপারী পুলিশের কাছে খুনের অভিযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, পুত্রকে খুন করেছেন পুত্রবধূ পাপিয়া ব্যাপারী। এবং তাঁকে সাহায্য করেছেন পাপিয়ার প্রেমিক জয়ন্ত বারুই। অভিযোগপত্রে হীরালাল দাবি করেন, ঘরে ঢুকে বৌমা এবং তাঁর প্রেমিককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় পুত্রের এই পরিণতি হয়েছে।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বিপুলকে। তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়লে পালিয়ে যান জয়ন্ত। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। মামলায় মোট ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

সোমবার পাপিয়া এবং জয়ন্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছিল আদালত। মঙ্গলবার দু’জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক শুভঙ্কর সেন। মামলার সরকারি আইনজীবী কুতুবউদ্দিন শেখ বলেন, ‘‘দুই আসামির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। মোট ২১ জনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। মঙ্গলবার তাঁদের শাস্তি ঘোষণা করলেন বিচারক সেন।’’

Advertisement
আরও পড়ুন