Cooch Behar BJP Leader Arrest

মাদক মামলায় দিনহাটায় বিজেপি নেতা গ্রেফতার! উদ্ধার ৭৯ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ, শুরু রাজনৈতিক তরজা

ধৃত সুকুমার সিতাই বিধানসভার বিজেপির ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছি পদ্মশিবির। সুকুমারের পরিবারের অভিযোগ, ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে পুলিশ। ধ

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৪
Cooch Behar BJP Leader Arrest

ধৃত বিজেপি নেতা সুকুমার বর্মণ (মাঝখানে)। সামনে বাজেয়াপ্ত হওয়া নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ। —নিজস্ব ছবি।

বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ উদ্ধার হল কোচবিহারের দিনহাটায়। পাচারে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার বিজেপির এক নেতা। শুক্রবার এই ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা দিনহাটার সাহেবগঞ্জ থানা এলাকায়।

Advertisement

পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে ৭৯ বোতল নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ‘ফেনসিডিল’-সহ এক ব্যক্তিকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতের নাম সুকুমার বর্মণ। তাঁর বাড়ি সিতাইয়ের শিলদুয়ার এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃত সুকুমার সিতাই বিধানসভার বিজেপির ১ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি। বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছি পদ্মশিবির। সুকুমারের পরিবারের অভিযোগ, ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে পুলিশ। ধৃতের স্ত্রী শিবানী বর্মণের অভিযোগ, ‘‘বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে স্বামী নিখোঁজ ছিল। বেলা আড়াইটে নাগাদ এলাকা থেকে ওকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু সিতাই থানায় গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেও স্বামীকে পাইনি। পরে সেখানে নিখোঁজ ডায়েরি করি।’’ তাঁর দাবি, এর পরেই শোনেন স্বামীকে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ পাচারের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ। পরিবারের লোকেরা। কিন্তু কোন সন্ধান মেলেনি তার। এর পরেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে যায়।

কোচবিহারের বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ বর্মণ বলেন, ‘‘সুকুমার বর্মণকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আমরা পুলিশ-প্রশাসনের কাছে খোঁজখবর নিয়েছিলাম। গ্রেফতারির কথা প্রথমে পুলিশ অস্বীকার করে।’’ তাঁর অভিযোগ, ‘‘তৃণমূলের নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় আমাদের একের পর এক নেতা-কর্মীকে ভুয়ো মাদক পাচার মামলায় গ্রেফতার করাচ্ছেন। নির্বাচনের আগে আমাদের সক্রিয় কর্মীরা যাতে জেল থেকে ছাড়া না-পান সেই চেষ্টা চলছে।’’ পাল্টা শাসকশিবিরের তরফে তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বাসুনিয়া বলেন, ‘‘কেউ যদি মাদক পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, সেই ব্যক্তি তৃণমূল হোন বা বিজেপির, আইন তো আইনের পথেই চলবে। পুলিশপ্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করানোর ঘৃণ্য মানসিকতা আমাদের নেই।’’

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত স্বীকার করেছেন যে তাঁর সঙ্গে নিষিদ্ধ কাশির সিরাপ ছিল। তার ভিডিয়োগ্রাফি হয়েছে। এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন