Illegal Sand Mining

নদী পাড়ের মাটি কাটার অভিযোগ

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতি দিন সকাল থেকেই মাটি কেটে নম্বরপ্লেট বিহীন ট্রাক্টরে করে সেই মাটি মথুরাপুর দিয়ে অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ০১:০৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

নদীর জল যখন বাড়ছে সেই সময় মালদহের মানিকচক ব্লকের কালীতলা ঘাট সংলগ্ন ফুলহার নদীর ধার থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠল। স্থানীয়দের দাবি, প্রতি দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বেপরোয়া ভাবে নম্বরপ্লেট বিহীন ট্রাক্টরে করে ফুলহারের পাড়ের মাটি কেটে রাজ্য সড়ক দিয়ে পাচার করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় কী ভাবে এই কারবার চলছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে।

এর আগে শুখা মরসুমেও মানিকচক ব্লকের মথুরাপুর সংলগ্ন কালীতলা ঘাট এলাকায় ফুলহার নদীর পাড় থেকে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর পদক্ষেপ করায় তা বন্ধ হয়। এখন উৎস মুখে ভারী বৃষ্টির জেরে ফুলহার নদীর জল যখন বাড়ছে, সেই মুহূর্তে ফের কালীতলা ঘাট সংলগ্ন ফুলহার নদীর ধার থেকে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রতি দিন সকাল থেকেই মাটি কেটে নম্বরপ্লেট বিহীন ট্রাক্টরে করে সেই মাটি মথুরাপুর দিয়ে অন্যত্র পাচার হয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ্যে এই কারবার চললেও প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই বলে অভিযোগ। তাঁদের আশঙ্কা, এ ভাবে ফুলহারের পাড় কেটে নেওয়া চলতে থাকলে ভবিষ্যতে ভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। সিপিএমের জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য দেবজ্যোতি সিংহ বলেন, ‘‘একেই মানিকচক ব্লকের একাংশ ভাঙন ও বন্যা প্রবণ। তার উপরে এই বর্ষার মুখে ফুলহার নদীর পাড়ের মাটি যদি দিনের পর দিন কেটে নেওয়া হয় তবে ভাঙ্গনের তীব্রতা যেমন বাড়বে তেমনি বন্যার আশঙ্কাও বাড়বে। এই কারবার বন্ধে প্রশাসন কেন উদাসীন তা বোঝা যাচ্ছে না।’’ মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ‘‘বিষয়টি ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরকে খতিয়ে দেখতে বলছি।’’ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন