Itahar

ঋতব্রত শিবিরে ব্রাত্য, নিষ্ক্রিয় থাকবেন মোশারফ

এই নিয়ে পর পর দু’বার ইটাহার থেকে তৃণমূল বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মোশারফ। বর্তমানে জেলায় তৃণমূলের পাঁচ বিধায়কের মধ্যে চার জন আগেই ঋতব্রত শিবিরে চলে গিয়েছেন।

গৌর আচার্য 
শেষ আপডেট: ৩০ জুন ২০২৬ ০২:৩৫

— প্রতীকী চিত্র।

সপ্তাহ খানেক আগে দলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ ছেড়েছেন ইটাহারের তৃণমূল বিধায়ক মোশারফ হোসেন। তৃণমূলের অন্দরের খবর, এর পর তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবিরের নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের সঙ্গে মোশারফের একাধিক বার কর্থাবার্তাও হয়। কিন্তু ঋতব্রত শিবির এখনই মোশারফকে দলে নিতে চাইছে না। তাই আপাতত রাজনৈতিক ভাবে নিষ্ক্রিয় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইটাহারের তৃণমূল বিধায়ক।

অন্য দিকে, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আগামী ২১ জুলাই কলকাতায় তৃণমূলের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান হলে, সেখানে যোগ না দেওয়ার পক্ষে রয়েছেন ঋতব্রত শিবিরের জেলার চার তৃণমূল বিধায়ক। মোশারফ বলেন, “আমি আপাতত দলের কোনও পক্ষেই নেই। রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় রয়েছি। তবে বিধায়ক হিসেবে মানুষকে যতটা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব, তা দিয়েছি।” ঋতব্রত শিবিরের তৃণমূল বিধায়ক কিংবা বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে যোগাযোগ প্রসঙ্গে মোশারফের বক্তব্য, “বিধানসভার সমস্ত বিধায়ক আমার সহকর্মী। ওঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়টি আমার কাছে অস্বাভাবিক কোনও বিষয় নয়।”

প্রসঙ্গত, এই নিয়ে পর পর দু’বার ইটাহার থেকে তৃণমূল বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মোশারফ। বর্তমানে জেলায় তৃণমূলের পাঁচ বিধায়কের মধ্যে চার জন আগেই ঋতব্রত শিবিরে চলে গিয়েছেন। মোশারফ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে ‘কালীঘাটপন্থী’ তৃণমূলে ছিলেন। তবে অভিষেককে নিয়ে দলে বিদ্রোহ চরমে ওঠায় এক সপ্তাহ আগে মোশারফ দলের সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সভাপতির পদ ছাড়েন। তাঁর দাবি, তৃণমূল রাজ্যে ক্ষমতায় না ফেরায় তিনি ওই পদে থেকে সংখ্যালঘুদের জন্য কোনও কাজ করতে পারছেন না। উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের বিদায়ী সভাপতি তথা ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বক্তব্য, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠানে আমাদের যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।”

আরও পড়ুন