Sougata Roy

সঙ্কটজনক সৌগত রায়! স্নায়ুর রোগে তন্দ্রাচ্ছন্ন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ, ভোগাচ্ছে পিঠের সমস্যা

দিঘায় জগন্নাথধামের উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সৌগত। পেসমেকার বসে। গত সোমবার থেকে আরও জটিল হয়েছে পরিস্থিতি। তাঁকে রাইস টিউব দিয়ে খাওয়াতে হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৫ ২১:১৯
Sougata

সৌগত রায়। —ফাইল চিত্র।

শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ের। অনিদ্রার সমস্যা প্রভাব ফেলছে সাংসদের শরীরে। মঙ্গলবার তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ভাবিয়ে তুলেছে চিকিৎসকদের। হাসপাতাল সূত্রে জানা যাচ্ছে, স্থিতিশীল হলেও সঙ্কটজনক দমদমের সাংসদ।

Advertisement

দিঘায় জগন্নাথধামের উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সৌগত। পেসমেকার বসে। অক্ষয়তৃতীয়ার দিন অসুস্থ হয়ে পড়ার পরে সৌগতকে আর বাড়িতে রাখার ঝুঁকি নেয়নি পরিবার। বেলঘরিয়ার হাসপাতাল এবং পরে দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। গত ২২ জুন থেকে হাসপাতালে ভর্তি সৌগতের স্নায়ুর রোগ ধরা পড়েছে সম্প্রতি। তাঁর চিকিৎসায় গঠিত হয়েছে মেডিক্যাল বোর্ড। সাংসদের শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ মনোজ সাহা ছাড়াও রয়েছেন চিকিৎসক বৈভব শেঠ, অরিন্দম মৈত্র এবং রাহুল জৈন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত কয়েক দিন ধরে সৌগতের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছিল। সোমবার থেকে তা আরও জটিল হয়েছে। তাঁকে রাইস টিউব দিয়ে খাওয়াতে হয়েছে। মঙ্গলবার হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, সৌগতের শরীরে পটাশিয়ামের আধিক্য আছে। এ ছাড়াও, শ্বাসনালিতে সংক্রমণ হয়েছে তাঁর। কিডনির সমস্যা ধরা পড়েছে এবং উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিয়েছে। ইনসুলিনও দিতে হয়েছে। আরও বেশ কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে সৌগতের। এখন থেকে তাঁর ফিজ়িয়োথেরাপির প্রয়োজন।

তৃণমূল সূত্রে খবর, বলতে গিয়ে কথা জড়িয়ে যাচ্ছে সাংসদের। তা ছাড়া পিঠের ব্যথায় ভুগছেন তিনি। সব মিলিয়ে চিন্তায় সাংসদের রাজনৈতিক সতীর্থেরা। বর্ষীয়ান রাজনীতিকের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন তাঁর সহকর্মী এবং অনুরাগীরা।

এর আগেও চলতি বছরের ১০ মার্চ লোকসভা অধিবেশন শেষে সংসদ ভবনেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সৌগত। তাঁকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তৃণমূলের অন্যান্য সাংসদ সৌগতকে দিল্লির রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। যদিও সে বার তাঁকে ভর্তি করানোর প্রয়োজন পড়েনি। ইসিজি হয়। বেশ কিছু প্রাথমিক পরীক্ষার পর ছেড়ে দেওয়া হয় হাসপাতাল থেকে।

Advertisement
আরও পড়ুন