SIR in West Bengal

সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ না দিলেও নো-ম্যাপিং ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন! সঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির নামও

কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬। ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ ভোটারের রয়েছে তথ্যগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি)। এ রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ ব্যক্তিকে নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪

প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে না থাকলেও লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি (তথ্যগত অসঙ্গতি)-র পাশাপাশি নো-ম্যাপিং ভোটারদের তালিকাও প্রকাশ করা হবে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, নো-ম্যাপিং এবং লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি আছে যাদের, সেই ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুধুমাত্র লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সিদের তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তবুও নো-ম্যাপিং ভোটারদের তালিকাও প্রকাশ করা হবে।

Advertisement

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইসি)-র দফতরের একটি সূত্র জানাচ্ছে, ওই সব তালিকা জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং ইআরও-দের কাছে রয়েছে। কমিশনের নির্দেশিকা আসার পরেই তা প্রকাশ করা হবে। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬। ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩২ ভোটারের রয়েছে তথ্যগত অসঙ্গতি (লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি)। এ রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪০ লক্ষ ব্যক্তিকে নথি যাচাইয়ের জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছে। এই নোটিসপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মূলত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ১) ম্যাপড ভোটার— যাঁদের নাম ২০০২ সালের এসআইআরে সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। ২) আনম্যাপড ভোটার— যাঁদের নাম ২০০২ সালের এসআইআরে সঙ্গে যুক্ত নেই ৩) লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সি (তথ্যগত অসঙ্গতি রয়েছে এমন ভোটার)।

প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় (এসআইআর) তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) নির্বাচন কমিশনকে তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলে সোমবার শুনানিপর্বে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত এ সংক্রান্ত ১০ দফা নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জেরে শুনানির সময়সীমা বৃদ্ধি করা হতে পারে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুনানির শেষ দিন। ওই মাসের ১৪ তারিখ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। কমিশন সূত্রে খবর, শুনানির দিন বৃদ্ধি করা হতে পারে। তবে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা হয়নি বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে । সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে বুধবার এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও পিছিয়ে যেতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন