(বাঁ দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ডেনমার্কের বিক্ষোভকারী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন’… এক দশক আগে তাঁর ওই স্লোগানে এই ভরসা রেখেছিল আমেরিকা। ৪৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথায় আবির্ভাব হয়েছিল সেই স্লোগান-শোভিত লাল টুপির। আমজনতার বিপুল উদ্দীপনায় ২০১৬ সালে তাঁর হাত ধরে আট বছর পরে ক্ষমতায় ফিরেছিল রিপাবলিকান পার্টি।
২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের কাছে পরাস্ত হলেও চার বছর পরে সেই পরিচিত স্লোগান লেখা লালটুপি পরে প্রচার চালিয়ে হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় বার প্রবেশের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু এ বার তাঁর সেই স্লোগানকে ব্যঙ্গ করে প্রতিবাদে শামিল হয়েছে ইউরোপের দেশ গ্রিনল্যান্ড এবং তাঁদের নিয়ন্ত্রিত দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। তাঁর ‘মাগা’ (‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন’) স্লোগানকে ঈষৎ মোচড় দিয়ে প্রতিবাদীদের মাথার লালটুপিতে লেখা ‘মেক আমেরিকা গো অ্যাওয়ে’ (আমেরিকাকে দূর করে দাও)!
ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত মার্কিন বিরোধী বিক্ষোভের এই টুপির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ইউরোপের দেশগুলি ইতিমধ্যেই গ্রিনল্যান্ড-সংঘাতে ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়েছে। নেটো জোটের কয়েকটি ইউরোপীয় সদস্যরাষ্ট্র কোপেনহাগেনের সমর্থনে গ্রিনল্যান্ডে সেনাও পাঠিয়েছে। কিন্তু এখনও অনড় রয়েছেন ট্রাম্প। ২০২৬ সালেই বিশ্বের বৃহত্তম এই দ্বীপ মার্কিন ভূখণ্ডের অংশ হতে চলেছে বলে আবার বার্তা দিয়েছেন তিনি। সোমবার রাতে সমাজমাধ্যমে একটি গ্রাফিক পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেই গ্রাফিকে দেখা যাচ্ছে, হাতে মার্কিন পতাকা নিয়ে গ্রিনল্যান্ডে গিয়েছেন তিনি। তাঁর ঠিক পিছনে রয়েছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো। এই তিন জনের সামনে থাকা কাঠের বোর্ডে লেখা ‘গ্রিনল্যান্ড— আমেরিকার অংশ’। পাশে লেখা ‘প্রতিষ্ঠাবর্ষ ২০২৬’।