Gangasagar Bridge

মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর প্রাথমিক কাজ শুরু, নির্মাণ সংস্থার সঙ্গে স্রোত, নাব্যতা নিয়ে আলোচনা

সম্প্রতি সাগরদ্বীপে সেতু সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। এল অ্যান্ড টি’র তিন প্রতিনিধি সেখানে প্রস্তাবিত সেতুর কারিগরি নকশা তুলে ধরেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৩:৪৬
Preliminary work on the construction of the Gangasagar Bridge over the Muriganga has started in the mood of the polls

শুরু হল গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আবহে গঙ্গাসাগর যাতায়াত ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তনের লক্ষ্যে মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু করল লারসেন অ্যান্ড টুবরো (এল অ্যান্ড টি)। কাকদ্বীপ থেকে সাগরদ্বীপ সংযোগকারী এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বরাত ইতিমধ্যেই পেয়েছে সংস্থাটি। ওই সংস্থাটিকে সহযোগিতা করছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। সম্প্রতি সাগরদ্বীপে সেতু সংক্রান্ত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা। এল অ্যান্ড টি’র তিন প্রতিনিধি সেখানে প্রস্তাবিত সেতুর কারিগরি নকশা উপস্থাপন করেন। সেতুর দৈর্ঘ্য, স্তম্ভের বিন্যাস, নদীর স্রোত ও নাব্যতার উপযোগী স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে প্রশাসনিক আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারেরা নদীর তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা খতিয়ে দেখেন।

Advertisement

ইতিমধ্যেই কাকদ্বীপের লট-৮ এলাকায় প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে সংস্থাটি। জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সাগরদ্বীপের দিকে কিছু জমি কেনা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। আরও প্রায় দশ বিঘা জমির প্রয়োজন রয়েছে, যেখানে ভারী যন্ত্রপাতি রাখা এবং কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি সুন্দরবন উন্নয়ন দফতর জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনায় এই সেতু প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। মুড়িগঙ্গা নদীর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কথা মাথায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তিতে নকশা তৈরি করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে গঙ্গাসাগর মেলায় যাতায়াত সহজ হবে, পাশাপাশি পর্যটন শিল্পেও গতি আসবে। প্রতিদিন যাতায়াতকারী কয়েক লক্ষ মানুষ দীর্ঘ দিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন বলে প্রশাসনের আশা। নকশা অনুমোদনের পর দ্রুত পূর্ণাঙ্গ পরিকাঠামোগত কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন