Migrant Labour Death Case

আবার ভিন্‌রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দার রহস্যমৃত্যু! বেঙ্গালুরুতে কর্মরত পুরুলিয়ার যুবকের মারা যাওয়ার খবরে শোরগোল

বেঙ্গালুরুতে গা়ড়িচালকের কাজ করতেন পুরুলিয়ার প্রসন্ন। শুক্রবার দুপুর ২টো ২০ মিনিটে ট্রেন ধরার কথা ছিল তাঁর। বাড়িতে জানিয়েছিলেন, ফিরছেন। বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী কুন্তী কুমারের সঙ্গে ফোনে কথা হয় যুবকের।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:২৫
Migrant Labour Death Case

বেঙ্গালুরুতে গাড়িচালকের কাজ করতেন পুরুলিয়ার প্রসন্ন কুমার। —নিজস্ব ছবি।

আবার ভিন্‌রাজ্যে মৃত্যু পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিকের! মৃতের নাম প্রসন্ন কুমার। ৩৯ বছরের ওই পরিযায়ী শ্রমিক পুরুলিয়ার কোটশিলা থানার চ্যাকা গ্রামের বাসিন্দা। বছর খানেক ধরে কর্নাটকের বেঙ্গালুরিতে কাজ করতেন তিনি। শনিবার তাঁর মৃত্যুসংবাদ পায় পরিবার। অভিযোগ, স্বাভাবিক ভাবে মারা যাননি ওই পরিযায়ী শ্রমিক।

Advertisement

প্রসন্নের পরিবার জানিয়েছে, শুক্রবার ট্রেন ধরে বাড়ি ফেরার কথা ছিল যুবকের। শনিবার হঠাৎ একটি ফোন আসে এবং জানানো হয়, তিনি মারা গিয়েছেন। ওই নিয়ে শোরগোল পুরুলিয়ার গ্রামে। খবর পেয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতোর নেতৃত্বে তৃণমূলের পুরুলিয়া জেলার নেতারা মৃতের বাড়িতে যান।

জানা গিয়েছে, বেঙ্গালুরুতে গা়ড়িচালকের কাজ করতেন পুরুলিয়ার প্রসন্ন। শুক্রবার দুপুর ২টো ২০ মিনিটে ট্রেন ধরার কথা ছিল তাঁর। বাড়িতে জানিয়েছিলেন, ফিরছেন। বৃহস্পতিবার রাতে স্ত্রী কুন্তী কুমারের সঙ্গে ফোনে কথা হয় যুবকের। শনিবার প্রসন্নের গ্রামের এক যুবক, যিনি বেঙ্গালুরুতে কাজ করেন, তিনি বাড়িতে মৃত্যুসংবাদ দেন। প্রসন্নের ছেলে সন্দীপ কুমার বলে, ‘‘২৫ ফেব্রুয়ারি পরিবারের সকলকে নিয়ে বৃন্দাবন বেড়াতে যাবে বলেছিল বাবা। সেই মতো ট্রেনের টিকিটও কাটা হয়েছিল।’’ পরিযায়ী শ্রমিকের পরিবারের দাবি, মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও রহস্য রয়েছে। প্রসন্নের স্ত্রী বলেন, ‘‘উনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং স্বাভাবিক ছিলেন। শনিবার জানতে পারলাম, স্বামী মারা গিয়েছেন।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বেঙ্গালুরুতে স্বামী যেখানে থাকতেন, সেখানকার কেউ কিছু ঘটিয়েছে। আমরা তদন্ত চাই।’’

মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন প্রাক্তন মন্ত্রী শান্তিরাম। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি জানার পরে তৎপর হয়েছেন। বেঙ্গালুরু থেকে দেহ যাতে দ্রুত বাড়িতে ফিরিয়ে আনা যায়, তা দেখার পাশাপাশি মৃত্যুর ঘটনায় যথাযথ তদন্ত যাতে হয়, সে ব্যাপারেও তদারকি শুরু করেছেন তাঁরা।’’

Advertisement
আরও পড়ুন