Jewellery Loot

বোমা ফাটিয়ে দোকান থেকে সোনা-রুপোর গয়নার পাশাপাশি নগদ লুট বীরভূমে! পলাতক দুষ্কৃতীদের খোঁজে পুলিশ

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ কীর্ণাহার থানা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি সোনার দোকানে আচমকা ১০ থেকে ১২ জনের একটি ডাকাত দল হানা দেয়। তাদের মধ্যে চার জন আংটি কেনার অছিলায় দোকানে ঢোকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:১০

— নিজস্ব চিত্র।

ভর সন্ধ্যায় একটি সোনার দোকানে বোমা ফাটিয়ে ডাকাতি। ঘটনাটি বুধবার বীরভূমের কীর্ণাহার বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন স্বর্ণদ্বীপ সোনার দোকানে ঘটেছে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না লুট করেছে। জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত ১০ থেকে ১২ জনেক একটি দল। তারা গাড়ি এবং বাইক করে এসেছিল। টাকা এবং গয়না লুট করে পানালোর সময় তারা তাদের গাড়ি, বাইক এবং পিস্তলটি ফেলে যায়। আপাতাত ওইগুলি পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালাচ্ছে তারা।

Advertisement

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ কীর্ণাহার থানা থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন একটি সোনার দোকানে আচমকা ১০ থেকে ১২ জনের একটি ডাকাত দল হানা দেয়। তাদের মধ্যে চার জন আংটি কেনার অছিলায় দোকানে ঢোকে। আংটি দেখতে দেখতে আচমকা আগ্নেয়াস্ত্র বের করে মালিকের কপালে ঠেকায়। বাকিরা সেই সুযোগে টাকা সহ বেশ কিছু সোনা- রূপোর গয়না হাতিয়ে নেয়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে লোকজন জড়ো হওয়ায় বোমা ফাটাতে ফাটাতে ডাকাতদলটি চম্পট দেয়। দোকানের মালিক বাপন কর্মকার আতঙ্কে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না।

এই ঘটনার পর স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “ওরা বেশ কয়েকদিন ধরে নানা ছুতোয় এখানে আসাযাওয়া করছিল।” কীর্ণাহার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক তপন কুমার দে বলেন, “কপালে আগ্নেয়াস্ত্র ঠেকিয়ে বোমা ফাটিয়ে ডাকাতি এর আগে এলাকায় হয়নি। ডাকাতদল একটি চার চাকার গাড়ি, একটি মোটরবাইক এবং একটি পিস্তল ফেলে পালিয়েছে। আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি।”

পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ি, বাইক এবং পিস্তলের সূত্র ধরে ডাকাতির কিনারা করার চেষ্টা চলছে।

Advertisement
আরও পড়ুন