মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে বেরোচ্ছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ। বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে।
তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের পরে সংসদীয় দলে এখন ভাঙনের পালা চলছে। রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ইস্তফা দিয়েছেন। লোকসভার বিদ্রোহী সাংসদেরা পৃথক ব্লকের স্বীকৃতি পেতে চলেছেন। এই পরিস্থিতিতে সরকারি কর্মসূচিতে বুধবার ফের দিল্লি গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দিল্লি যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে একটি হোটেলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বেশ কিছু বিধায়ক। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহার সঙ্গে ছিলেন গোলাম রব্বানি, রথীন ঘোষ, জাভেদ খান, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়েরা। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীনের বিরুদ্ধে ইডি-র তদন্ত চলছে। সেই প্রেক্ষিতে এই সাক্ষাৎকে ইঙ্গিতপূর্ণ মনে করছে রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। রথীন অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খোলেননি। বাকিরা বেশির ভাগই বলেছেন ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’। নিজেদের এলাকা সংক্রান্ত নানা দাবির কথাও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে তুলেছেন বিরোধী দলের বিধায়কেরা। একই সঙ্গে বিদ্রোহী শিবিরে বিধায়কের সংখ্যা বাড়ছে। বিরোধী দলের স্বীকৃতি চেয়ে স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি দিয়েছিলেন ৫৮ জন বিধায়ক। তার পরেই সেই সংখ্যা ৬০ এবং এখন ৬৪ হয়েছে বলে বিদ্রোহী শিবিরের দাবি। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতের কথায়, ‘‘এখন ৬৪ আছেন। কাল হয়তো আরও বাড়বে। অন্যেরা কে কোথায় কার সঙ্গে দেখা করছেন বা কথা বলছেন জানি না, আমরাই এখন তৃণমূল!’’