Supreme Court

উপাচার্য নিয়োগ মামলা: সার্চ কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে, কী বলল শীর্ষ আদালত?

রাজ্যের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টিতে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ হয়েছে। তবে রাজ্যপালের অনুমোদন না-মেলায় এখনও ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ বাকি। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাজ্য।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৯ মে ২০২৫ ২০:৩৭
Search committee report submitted to Supreme Court in West Bengal’s VC appointment case

সুপ্রিম কোর্ট। —ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে প্রাক্তন বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত কমিটির রিপোর্ট জমা পড়ল সুপ্রিম কোর্টে। শুক্রবার বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। রিপোর্ট খতিয়ে দেখার পরই পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে বলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৫ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

Advertisement

উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতবিরোধের জের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে গত বছরে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত ২০২৪-এর জুলাই মাসে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ললিতের নেতৃত্বে ‘সার্চ-কাম-সিলেকশন কমিটি’ গড়ে দেয়। আদালতের নির্দেশ ছিল, ওই কমিটি উপাচার্যদের নামের বাছাই তালিকা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠাবে। মুখ্যমন্ত্রী সেই তালিকার ভিত্তিতে নিজের পছন্দ অনুযায়ী নাম রাজ্যপালের কাছে পাঠাবেন। রাজ্যপাল সিলমোহর দেবেন। মতান্তর হলে সুপ্রিম কোর্ট হস্তক্ষেপ করবে।

উল্লেখ্য, রাজ্যের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ১৯টিতে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ হয়েছে। তবে রাজ্যপালের অনুমোদন না-মেলায় এখনও ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ বাকি। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করে রাজ্য। তাদের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও রাজ্যপাল বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছেন!

এই বিষয়ে গত শুনানিতে আদালতে রাজ্যপালের তরফে জানানো হয়, তাঁর কোনও নামে আপত্তি থাকলে, তিনি তা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাচ্ছেন। তবে ঐক্যমতের অভাব রয়েছে। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের আবেদন করা হয় রাজ্যপালের তরফে। তবে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, তারা এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার আগে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চায়। সার্চ কমিটির রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো শুক্রবার বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে রিপোর্ট জমা পড়ে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পরবর্তী শুনানিতেই বিষয়টি নিয়ে মতামত জানাবে তারা।

Advertisement
আরও পড়ুন