Beldanga Incident

বেলডাঙায় অশান্তি: রাজ্যের আবেদনে সাড়া দিল না সুপ্রিম কোর্ট, বহাল রইল হাই কোর্টের নির্দেশই

ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। সেই অশান্তির ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৬ মার্চ ২০২৬ ২২:১৯
Supreme Court dismisses West Bengal govt\\\\\\\'s plea against Calcutta High Court order on Beldanga incident

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় তদন্ত করছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। — ফাইল চিত্র।

মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সোমবারের শুনানিতে রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ, বেলডাঙার ঘটনার কেস ডায়েরি তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে হস্তান্তরের নির্দেশই বহাল থাকল।

Advertisement

ঝাড়খণ্ডে মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের মৃত্যুর খবরে অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। গত ১৬ জানুয়ারি আলাউদ্দিনের দেহ সেখানে পৌঁছোতেই সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামেন। ভিন্‌রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গের শ্রমিকদের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। সেই বিক্ষোভ থেকে অশান্তি ছড়ায়। পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুরও করা হয়। সেই অশান্তির ঘটনায় প্রথমে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তবে সেই ঘটনা নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হয় কলকাতা হাই কোর্টে। শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়েছিল, কেন্দ্রীয় সরকার যদি চায়, এনআইএ-কে দিয়ে বেলডাঙার ঘটনার তদন্ত করাতে পারে।

আদালতের কথামতো এনআইএ-র হাতে তদন্তভার হাতে যায়। তবে অভিযোগ, তদন্ত শুরু করলেও মামলার কেস ডায়েরি হাতে পায়নি এনআইএ। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় তারা। আদালত কেস ডায়েরি হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়। হাই কোর্টের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করে রাজ্যে।

মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় ইউএপিএ ধারায় মামলা রুজু হবে কি না, তা স্থির হওয়ার আগেই নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। শুধুমাত্র এনআইএ-র রিপোর্টের ভিত্তিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

যদিও রাজ্যের আপত্তি শোনেনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। জানায়, হাই কোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করছে না আদালত।

Advertisement
আরও পড়ুন