Ritabrata Banerjee

নিরামিষ নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

তৃণমূলের সাংসদ বলেন, “আমাদের রাজ্যের ৯৮.৭ শতাংশ মানুষ আমিষাশী। ট্রেনটি যে রাজ্যে যাচ্ছে, সেই অসমে ৭৮.৬ শতাংশ মানুষ আমিষ খাবার খান। সরকার কি এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে কেউ কী খাবে এবং কী খাবে না?”

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০২
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।

রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবে বলতে উঠে আজ তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় খড়্গহস্ত হয়েছেন খাদ্যাভ্যাসে নাক গলানো প্রসঙ্গে। তাঁর কথায়, “মাননীয় রাষ্ট্রপতি বন্দে ভারত ট্রেনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। আমরা খুশি যে, হাওড়া থেকে কামাখ্যায় এই ট্রেন যাচ্ছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে টিকিট বুক করার সময় কেবল নিরামিষ খাবারেরই সংস্থান আসছে।” তৃণমূলের সাংসদ এর পরে বলেন, “আমাদের রাজ্যের ৯৮.৭ শতাংশ মানুষ আমিষাশী। ট্রেনটি যে রাজ্যে যাচ্ছে, সেই অসমে ৭৮.৬ শতাংশ মানুষ আমিষ খাবার খান। সরকার কি এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে যে কেউ কী খাবে এবং কী খাবে না? প্রজাতন্ত্র দিবসে মানুষের খাদ্যাভ্যাসে নাক গলানোর চেষ্টা হয়েছে। একটি জেলায় নির্দেশ জারি হয়েছিল আমিষ খাবার নিষিদ্ধ করার। কে কী খাবেন, কে কী পরবেন, কে কী ভাষায় কথা বলবেন, এই সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা ফ্যাসিবাদেরই নামান্তর।”

আজ এসআইআর প্রক্রিয়ার তুমুল সমালোচনা করে ঋতব্রত বলেন, “এই প্রকল্প দানবের মতো মানুষের জীবন, জীবিকা, বেঁচে থাকার অধিকার সমস্ত কিছু গ্রাস করছে। দেড়শো জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এসআইআর আতঙ্কে। তার চেয়েও ভয়ানক ব্যাপার, জীবিতদেরও মৃত বলে দেওয়া হচ্ছে। দেশের জীবন্ত নাগরিকদের মুছে ফেলা হচ্ছে। তাঁরা যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে এসেছেন, তখনও দিল্লি পুলিশ তাঁদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে।” এই বক্তব্যের সঙ্গেই বাংলার বিপুল বকেয়া, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতঙ্গিনী হাজরার অপমান নিয়েও সরব হন ঋতব্রত।

আরও পড়ুন