TMC CLP meeting

বিধায়কদের একজোট রাখতে হবে! রবিবার তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে বৈঠক ডাকলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব

বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকের গুরুত্ববৃদ্ধির জন্য তা ডাকা হয়েছে তৃণমূলের সর্ব্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কনফারেন্স রুমে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৮ মে ২০২৬ ১৫:৪০
To keep the MLAs united, Sovandeb Chattopadhyay convened a meeting on Sunday at the residence of TMC leader Mamata Banerjee

(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

বিধানসভা ভোটে ক্ষমতা হারিয়ে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়েছে তৃণমূল। বিধায়কের সংখ্যা ৮০ হলেও এখনও বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা পায়নি তারা, এমনটাই অভিযোগ। সেই আবহে বেশ কিছু বিধায়কের গতিবিধিও ‘সন্দেহজনক’ ঠেকেছে তৃণমূল শীর্ষনেতৃত্বের। ফলস্বরূপ রবিবার বিকেলে তৃণমূল পরিষদীয় দলের বৈঠক ডাকলেন বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ওই দিন সব বিধায়ককে হাজির থাকতে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। গুরুত্ববৃদ্ধির জন্য বৈঠকটি ডাকা হয়েছে তৃণমূলের সর্ব্বোচ্চ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কনফারেন্স রুমে।

Advertisement

বৈঠকে উপস্থিত থাকতে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন বিরোধী দলনেতা। শোভনদেব বলেন, ‘‘আমি এই বৈঠকে দলের সব বিধায়ককে শামিল হতে বলেছি। আমাদের দলনেত্রী যাতে বিধায়কদের সঙ্গে ওই বৈঠকে হাজির হয়ে দিশা দেখান, সেই কারণে তাঁকেও আমি বৈঠকে থাকতে অনুরোধ করেছি।’’ শোভনদেব দলের পরীক্ষিত নেতা, তাই ৮৩ বছর বয়সে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার পদে বসানো হয়েছে তাঁকে। সঙ্গে পরিষদীয় দলকে একাট্টা রাখতে মরিয়ে তৃণমূলের শীর্ষনেতৃত্ব। সম্প্রতি দিল্লির পুরনো বঙ্গভবনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের পর রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা ছড়ায়। যদিও ৪০ সেকেন্ডের ওই সাক্ষাৎকে ‘সৌজন্য’ বলেই ব্যাখ্যা করেছিলেন ঋতব্রত।

পরে বিধানসভায় স্পিকার রথীন্দ্র বসুর ঘরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু, বিধায়ক তাপস রায় ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বৈঠক চলাকালীন ঋতব্রত এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহার উপস্থিতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়। সেই বৈঠকে যোগদান নিয়েও নিজেদের মতো করে সাফাই দেন বিধায়কদ্বয়। বুধবার স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়ে তাঁর দেখা না পেয়ে ঘরের সামনেই ধরনায় বসেন শোভনদেব এবং বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সেই ধর্নায় কেবলমাত্র দু’জন বিধায়কের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বিধানসভার কর্মীমহলেই। এমতাবস্থায় পরিষদীয় দলকে একজোট রাখতে এমন বৈঠক তলব করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর। সঙ্গে বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা না- পাওয়া এবং বিধায়কদের জন্য বরাদ্দ ঘর না-পাওয়া নিয়ে আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক হতে পারে এই বৈঠকে।

Advertisement
আরও পড়ুন