—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
আর জি করের ফাইল যেমন খোলার কথা চলছে, তেমনই রেশন দুর্নীতির ফাইল নতুন করে খোলার দাবি জানাল রাজ্যের রেশন সংগঠন।
তৃণমূলের সরকারের তৃতীয় পর্বে রেশন দুর্নীতির কারণে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরেও রেশন দুর্নীতি কমেনি বলে আজ দাবি করেছেন অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু। তিনি বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতারের পরেও রেশন দুর্নীতি চালু ছিল। তথ্য-প্রমাণ নিয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দরবার করেও কোনও লাভ হয়নি। নতুন সরকার রেশন দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করলে আমি যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ দেব।” পাশাপাশি তৎকালীন তৃণমূল সরকারের নীতির কারণে রেশন দোকানগুলিতে জন পোষণ, জন ওষুধি, পোস্টাল ব্যাঙ্ক, পাঁচ কিলোগ্রামের গ্যাস বিক্রির মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রূপায়িত করা সম্ভব হয়নি বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিশ্বম্ভর বলেন, “ওই কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি রেশন দোকানে চালু হলে দোকানগুলির আয় বাড়বে।”
এ বার দিল্লি সফরে খাদ্য মন্ত্রক ও নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান অশোক লাহিড়ীর সঙ্গেও বৈঠক করেন বিশ্বম্ভর। তিনি বলেন, “সরকার যাতে রেশন দোকানগুলির মাসিক আয় ৫০ হাজার টাকা নিশ্চিত করে সে দিকে নজর দিতে বলা হয়েছে।” সম্প্রতি প্রতি কুইন্টাল মাল তুললে রেশন দোকানকে বাড়তি দশ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য মন্ত্রক। যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া, খাদ্যশস্য দোকানে আনা, তা গ্রাহকদের দেওয়ার সময়ে যে পরিমাণ নষ্ট হয়, সেই পরিমাণ খাদ্যশস্যের ক্ষতিপূরণ রাজ্য না দিলে কেন্দ্র তা দিয়ে দেবে বলে খাদ্য মন্ত্রক আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।